ভারতের দেয়া ৫১৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শতরান পেরোনা জুটি ভেঙেছে ১২৪ রানে। চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন লাঞ্চ বিরতির পর উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত (৬৭)। তিনে নেমে ইয়াসির আলি চৌধুরী আবারও ব্যর্থ হন। ৫ রান করে বোল্ড হন এবারও। দ্রুত ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশের ভরসা হয়ে আছেন জাকির হাসান। অভিষেকে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছেন এ তরুণ। অপরাজিত আছেন ৮২ রানে।
চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৭৬ রান। বিরতির আগে লিটন দাস সাজঘরে ফেরেন ১৯ রান করে। কুলদীপ যাদবের বলে সহজ ক্যাচ দেন মিড অনে।
আগের দিন ২৫৪ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নামা সফকারীদের টপঅর্ডার দেখায় দৃঢ়তা। ওপেনার শুভমন গিল ও চেতেশ্বর পূজারার সেঞ্চুরিতে ২ উইকেটে ২৫৮ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে লোকেশ রাহুলের দল। বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ তৃতীয় দিন শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে তোলে ৪১ রান।
দুই সেঞ্চুরিতে ভারতকে নিয়ে যায় চালকের আসনে। ১৫২ বলে ১০০ রানের ইনিংস খেলে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হন শুভমন। ১৩০ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন পূজারা। তৃতীয় দিনের পড়ন্ত বিকেলে বাউন্ডারি মেরে এ ব্যাটার তিন অঙ্কে পৌঁছাতেই ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।
তার আগে ১৫০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। স্বাগতিকদের ফলো অন না করিয়ে আবার ব্যাটিংয়ে নামে ভারত।
৮ উইকেটে ১৩৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের সকালে খেলতে নেমে দেড়শ ছুঁয়ে অলআউট হয় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২৫ রান।
১০২ রানে ৮ উইকেট পড়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইবাদত হোসেন মিলে দ্বিতীয় দিন পার করেন। ১৪৪ রানে ইবাদত আউট হলে বিচ্ছিন্ন হয় জুটি। ৪২ রানের জুটিটিই বাংলাদেশের ইনিংসের সেরা। ইবাদতের অবদান ১৭ রান।
তৃতীয় দিন এক শিকারের দেখা পেলে ৫ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েন কুলদীপ যাদব। বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার আগের দিন নেন ৪ উইকেট। পড়ন্ত বিকেলে জোড়া আঘাত হানেন তিনি। পেসার মোহাম্মদ সিরাজ ৩ উইকেট তুলে টপ ও মিডলঅর্ডারে ধস নামান। উমেশ যাদবের শিকার একটি উইকেট।








