জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও কাঠ পাচারকারীদের কারণে বরগুনার টেংরাগিরি সংরক্ষিত বন উজাড় হচ্ছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বঙ্গোপসাগর উপকূলে বরগুনার তালতলী উপজেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চল টেংরাগিরি। ১৩ হাজার ৬৪৪ একরের বনটি একসময় সুন্দরবনের অংশ ছিলো। প্রকৃতিক দুর্যোগ, নদী ভাঙন ও বালু জমে শ্বাসমূল ঢেকে যাওয়ায় ম্যানগ্রোভ বনটির হাজারো গাছ মরে গেছে। সাথে রয়েছে বন নিধন করে গাছ পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য। এ কারণে দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কায় স্থানীয়রা।
তাই তারা সরকারের কাছে বেড়িবাঁধের কাছে গাছ লাগানোর আবেদন জানায়।
ব্যাপকভাবে বনাঞ্চল ধ্বংস করায়, ‘ফাতরার বন’ হিসেবে পরিচিত এই বনভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণি বৈচিত্র্যে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বরগুনা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ শাহ আলম জানান, পরিবেশের বড় ঝুঁকি হচ্ছে বনভূমি উজাড় হয়ে যাওয়া। এর কারণে জীববৈচিত্র্য এবং প্রকৃতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় টেংরাগিরি বনাঞ্চল রক্ষার দাবি উপকূলবাসীর।
আর এই ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে নতুন করে বনায়ন করার কথা জানিয়েছে বনবিভাগ।








