নেপালে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে বৃহস্পতিবার দেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।
এ জন্য দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে, ভবনগুলোতে এবং বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
পরেরদিন ১৬ মার্চ বাদ জুম্মা দেশের সব মসজিদে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধামত সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর সার্বিক পরিস্থিতি ও করণীয় নির্ধারণের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অতি দ্রুত বার্ন ও অর্থপেডিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল টিম এবং নিহতদের পরিচয় সনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহে একটি টিম পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এসব নির্দেশনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
সভার শুরুতে, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান ঘটনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সেনা ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন।
ভবিষ্যতে যেনো এরকম দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য এয়ার সেফটি বা উড্ডয়ন নিরাপত্তা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
১২ মার্চ নেপালে মর্মান্তিক ঘটনার সময় সিংগাপুর সফরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সফর সংক্ষিপ্ত করে মঙ্গলবারই দেশে ফিরে আসেন।
দুর্ঘটনার খবর শোনার পরপরই সিংগাপুরে থাকা অবস্থায় দেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







