অদৃশ্য শত্রুদের তৎপরতায় ধ্বংসের মুখে রহস্য আবৃত এক জমিদার বাড়ি। যার শেষ বংশধর সুদীপ্ত রায় চৌধুরী। একজন গোয়েন্দা লাভলু মিয়া চেষ্টা করছেন বাড়িটি বাঁচাতে। রক্ষা করতে চাইছেন তিনি বাড়ি এবং তার বংশধরকে। তবে শেষ বংশধর কি আদৌ রক্ষা করতে চান তার পূর্বপুরুষের অস্তিত্ব নাকি নিজেও শিকার হবেন নির্মমতার।
বাস্তবে এমনটি না ঘটলেও ওয়েব সিরিজে এমনটি ঘটতে চলেছে ১১ জানুয়ারী রাত থেকে। রহস্য উন্মোচন ও সত্য উদঘাটনে ছুটে বেড়াচ্ছেন ডিটেকটিভ লাভলু মিয়া। যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম। প্রথম পর্ব ‘সাঁতার’ শেষে দ্বিতীয় পর্ব ‘জমিদার বাড়ি’তে এবার তাকে রক্ষা করতে হবে রহস্যঘেরা একটি জমিদার বাড়ি। যে বাড়িটির শেষ বংশধর সুদীপ্ত রায় চৌধুরীর চরিত্রে অভিনয় করছেন নিলয় আলমগীর।

প্রথমবারের মতো মৌলিক গোয়েন্দা গল্পের নাটকে অভিনয় করেছেন নিলয়। বাংলাঢোল প্রযোজিত সাকিব রায়হানের লেখা ও পরিচালনায় চলমান ওয়েব সিরিজ ‘ডিটেকটিভ লাভলু মিয়া’র দ্বিতীয় পর্বের প্রচার শুরু হচ্ছে ১১ জানুয়ারী রাতে।
প্রথমবারের মতো গোয়েন্দা গল্প এবং ওয়েব সিরিজে অভিনয় প্রসঙ্গে নিলয় বলেন, ‘গল্পটি দারুন। এছাড়া এখন আমাদের দর্শক টেলিভিশনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ও ইউটিউবের প্রতিও ঝুঁকছেন। সব মাধ্যমের দর্শকের কথা ভেবেই অভিনয় করছি। আশা করি দর্শক সুদীপ্ত রায় চৌধুরীর চরিত্র উপভোগ করবেন।’
‘জমিদার বাড়ি’তে আরো অভিনয় করেছেন কাজী উজ্জ্বল। ওয়েব সিরিজটির নির্মাতা সাকিব রায়হান এর আশাবাদ, প্রথম গল্প ‘সাঁতার’-এর মতোই দর্শক পছন্দ করবেন ‘জমিদার বাড়ি’। তৃতীয় গল্পটির নাম ‘অপহরণ’ বলে তিনি জানান।
গত বছর ৩০ ডিসেম্বর ‘ডিটেকটিভ লাভলু মিয়া’ ওয়েব সিরিজটির প্রচার শুরু হয়।
‘জমিদার বাড়ি’র ট্রেলার :








