জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মীর মোশারেফ হোসেনকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে এই অধ্যাপককে তার জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী বকেয়া, সকল বেতন-সুবিধাসহ তাকে কেন স্বপদে পুনর্বহাল করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
ওই শিক্ষকের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রুল জারি করে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়র উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহদীন মালিক। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এম মঞ্জুর আলম ও মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আলামিন সরকার।
“অসদচারণ, নৈতিক স্খলন, কর্তব্যে অবহেলাসহ অপেশাদারি নানা অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অধ্যাপককে বরখাস্ত করে। এসব অভিযোগ তদন্তে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে এ তদন্ত কমিটি যে প্রতিবেদন দেয় তার কোনো অনুলিপি রিট-কারীকে সরবরাহ না করেই তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
পরে সে বরখাস্তের আদেশটি চ্যালেঞ্জ করে গত রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করলে আজ সেটির শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট।









