ভবিষ্যত প্রজন্মকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের ছোবল থেকে রক্ষার জন্য শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার এবং অন্যদেরকে সচেতন করার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। রাজধানীর স্কুলগুলোর শিক্ষক ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের নিবিড় যোগাযোগ জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করতে পারে।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ঢাকা মহানগরীর সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের সাথে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে।
স্কুল পালানো বন্ধ, ক্লাসে আরো বেশি মনোযোগী করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে শিক্ষার্থীদেরকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে রাখার কথা বলেন সরকারের প্রতিনিধিরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম বলেন, আমরা এই কাজটাকে আন্দোলনের মতো করেই নিতে চায়। আমরা অনেক যুদ্ধে জয়ী হয়েছি, বাধা মোকাবেলা করে সামনে এগিয়েছি। এখন আমাদের যোগাযোগ অনেক কমে গেছে, আসুন আমরা আবার সেই যোগাযোগটা বাড়াই।
ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করতে আমরা পারবোই পারবো। তা না হলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে বলছেন ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত দেশ, সেটা কখনোই সম্ভব হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব বলেন আবুল কালাম আজাদ বলেন, পারিবারিক সচেতনতা এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিবিড় যোগাযোগই এখন জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের অন্যতম উপায়। তিনি বলেন, যদি আমরা সকলে চিৎকার করি, সকলে মিলে হুঙ্কার দেই তাহলে ওই জঙ্গিবাদ এবং জঙ্গিবাদের মদদদাতা, অর্থদাতারা পালিয়ে যাবে। আমরা শপথ নিই যে, আমরা প্রতিটি সন্তানের দিকে নজর দেবো যেন তারা ভালো পথে থাকে।
জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশে ঘরপোড়া আগুনের মতো উল্লেখ করে তাতে ভয় না পেয়ে আগুন নেভানোর জন্য শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব।







