জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ‘কাউন্টার টেরোরিজম’ নামে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হবে জানিয়ে পুলিশের আইজি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে জঙ্গিবাদ নিয়ে কাজ করবে এই ‘কাউন্টার
টেরোরিজম’ইউনিট। এ জন্য পুলিশের ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের পাশাপাশি তাদের আধুনিক ইকুয়েপমেন্ট, অস্ত্র এবং
প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।
গুলশানের জঙ্গি হামলার ঘটনায় নিহত হয় ২ পুলিশ, ওই ঘটনায় আহত পুলিশের সংখ্যা ২৬। ঈদের দিন শোলাকিয়ার হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় ২ পুলিশ সদস্য। আহত হয় কমপক্ষে ১০ পুলিশ।
জঙ্গি হামলা মোকাবেলার মতো নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে, পুলিশ বিভাগের কর্মদক্ষতা ও ক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর খোদ বাহিনী থেকেই জোর গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হচ্ছে। সে লক্ষ্যেই পুলিশের একটি নতুন ইউনিট গঠনের কথা চ্যানেল আইকে জানান পুলিশের আইজি এ কে এম শহিদুল হক।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই জনগণের স্বার্থে পুলিশের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং করা। আমরা কাউন্টার টেরোরিজম নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রস্তাব সরকারকে দিয়েছি, আশা করছি সরকার অল্প কিছুদিনের মধ্যে এই ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দিবেন।’
সাম্প্রতিক জঙ্গিহামলা তদন্তে বিদেশি সহযোগিতা গ্রহণের বিষয়েও কথা বলেন আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক। গুলশান এবং শোলাকিয়ার ঘটনা তদন্তে সহায়তায় বিদেশী কোন সংস্থার প্রয়োজন নেই বলেও জানান পুলিশ প্রধান।
পুলিশের আইজি বলেন, এখন পর্যন্ত বিদেশী সংস্থার কোনো প্রয়োজন নেই তবে ভবিষ্যতে যদি তদন্তের স্বার্থে বিদেশী সংস্থার প্রয়োজন হয় তবে আমাদের ভালোর জন্য সেই সুযোগ নিবো।
জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলনের উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন পুলিশ প্রধান।







