চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

জঙ্গিবাদের কোন স্থান নাই কোন ধর্মে

হাসিনা আকতার নিগারহাসিনা আকতার নিগার
৩:০৬ অপরাহ্ণ ১৯, মার্চ ২০১৯
মতামত
A A

বিশ্বের কোন ধর্ম কখনো সহিংসতার পক্ষে না বরং তা মানবতাবোধ, শান্তি এবং মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধার পক্ষে। ধর্ম কখনো হত্যা-সন্ত্রাসকে সমর্থন দেয় না। বরং প্রতিটি ধর্মেরই মূল উদ্দেশ্য হল সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং ধর্মের প্রকৃত অনুসারীদের নিয়ে বিশ্বব্যাপী শান্তির জন্য কাজ করে যাওয়া।

তবে ধর্মের দোহাই দিয়ে শান্তি স্থাপনের নাম মৌলবাদী বেশ কিছু সংগঠন বিশ্বব্যাপী সৃষ্টি করে চলেছে অশান্তি-অরাজকতা-সন্ত্রাস। ধর্মকে হাতিয়ার করে বিশ্বব্যাপী তারা চালিয়ে যাচ্ছে হত্যা সহ নানা ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম।

বিশেষত বর্তমানে জঙ্গিবাদের কারণে ইসলামকে সন্ত্রাসের ধর্ম বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। আর মুসলমানরা আখ্যায়িত হচ্ছে সন্ত্রাসী হিসেবে। অথচ ইতিহাস বলে প্রথম ধর্মযুদ্ধ শুরু হয়েছিল প্রায় ২০০ বছর আগে ১০৯৫ সালে। যা জেরুজালেম এবং কনস্টান্টিনোপলের অধিকার নেয়ার জন্য ইউরোপের খ্রিস্টানদের সম্মিলিত শক্তি মুসলমানদের বিরুদ্ধে করেছিল। এবং এর সমাপ্তি ঘটেছিল ১২৭২ সালে ৯ম ধর্মযুদ্ধ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে।

যদিও দুর্ভাগ্যবশত বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বিশেষ করে ইসলামিক দেশগুলোতে সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গিবাদ বিশাল আকার ধারণ করেছে। অনেক মুসলমান একে ধর্মীয় কাজ ভেবে এতে অংশ নেয় এবং ভাবে যে এর জন্য তারা পুরস্কৃত হবে। কিন্তু এটা তাদের ভ্রান্ত ধারণা। একই ভাবে মুসলমানদের এ জঙ্গিবাদের প্রতিশোধ নিতে অন্য ধর্মের অনুসারীরা একই পথে হাঁটছে। যা নজীর সাম্প্রতিক সময়ের নিউজিল্যান্ডের ঘটনা। একটা ভ্রান্ত ধারণার মধ্য দিয়ে বিপন্ন হচ্ছে বিশ্ব। প্রকৃতপক্ষে কোনো ধর্মে এ ধরনের মানব হত্যার কোনো স্থান নেই।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে জঙ্গিরা এ সব হত্যাকে জিহাদ বলে আখ্যায়িত করছে। কিন্তু এখানেও ধর্মের অব্যাখ্যা করা হয়। মূলত ইসলাম শুরুর প্রাক্কলে যেসব জাতি এবং-সাম্রাজ্যের লোকেরা প্রকৃতপক্ষেই অসহায় এবং নির্যাতিত ছিল তারা ইসলামের পতাকাতলে সামিল হয়েছিল। যখন হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সাহাবিরা মিশর, পারস্য এবং রোম আক্রমণ করেছিল তখন সেখানকার সাধারণ মানুষ তাদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টাই করেনি। বরং তারা ইসলামকে এমনভাবে গ্রহণ করেছিল যে, যেন এর মধ্য দিয়ে শত শত বছরের নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়েছিল তারা। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণে যুদ্ধ বা জিহাদ হতে পারে তা ছিল তাদের ধারণাতীত। একইভাবে স্পেনের মানুষও তাদের অত্যাচারী রাজাদের হাত থেকে মুক্তি পাবার জন্য ইসলামের সাহায্য চায়। এটাই ইসলামি জিহাদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

এই জিহাদের নিয়মকানুনের দিকে একটু নজর দিলেই সচেতন মানুষদের নিকট এটা স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, ইসলাম হলো সত্যের ধর্ম। যুদ্ধকালে অসৎ শক্তি যদি পিছিয়ে যায় তাহলে তাদের অঙ্গচ্ছেদ করা, নির্যাতন করা অথবা জবাই করা ইসলামে নিষিদ্ধ। তারা যতটাই অসৎ হোক না কেন। চুক্তি ভঙ্গ করা এবং যুদ্ধবিরতির পরে হত্যাকাণ্ড চালানোও ইসলামে নিষিদ্ধ।

Reneta

আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেছেন  ‘আর তোমরা যুদ্ধ করো আল্লাহর পথে তাদের বিরুদ্ধে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। কিন্তু সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না। ‘(সূরা আল বাকারা -১৯০)

হিন্দু ধর্মে যোগেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ গীতাশাস্ত্রে ‘যুদ্ধ’ শব্দটির উপর জোর দিয়েছেন।পাশাপাশি এই শব্দটির যথার্থ অর্থও তিনি তুলে ধরেছেন। সেখানে যুদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে-দৈবী ও আসুরী গুণসমূহের সংঘর্ষই যুদ্ধ। দৈবী ও আসুরী মানুষের অন্তরের দুটি প্রবৃত্তিকে বলে এবং এই দুটি শান্ত হওয়াই পরিণাম। আর যুদ্ধ স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে “মানবদেহ এবং অন্তর সহ ইন্দ্রিয়সমূহই যুদ্ধস্থল।”

গীতায় উল্লেখ আছে, এই দেহটাই ক্ষেত্র, এর মধ্যে ভাল-মন্দ কর্মরুপের যে বীজ বপন করা হয়, তা সংস্কাররূপে অঙ্কুরিত হতে থাকে। যুদ্ধ কামান, ঢাল-তরবারি, তীর-ধনুক, গদা, লাঙল-কোদাল ও কাস্তে-হাতুড়ি ইত্যাদি নিয়ে যে সাংসারিক যুদ্ধ করা হয়, তা নয়, এই সাংসারিক যুদ্ধে শাশ্বত বিজয়লাভ হয় না। এটা শুধু সৎ এবং অসৎ.প্রবৃত্তি সমূহের সংঘর্ষ।

শ্রীকৃষ্ণ’র মতে, “আত্মাই সনাতন ও এই শরীর বিনাশলীল, সেইজন্য যুদ্ধ কর। আর যে শরীরের জন্য পরিশ্রম করে, সে পাপিষ্ঠ মূঢ় ব্যক্তি বৃথাই জীবন ধারণ করে।”

দুর্ভাগ্যবশত এখনকার কিছু উগ্রপন্থী মানুষ মনে করে যে তাদের ধ্বংসাত্মকমূলক কার্যকলাপ স্ব স্ব ধর্ম বর্ণের গৌরবান্বিত শাসনকে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

হত্যা প্রসঙ্গে মদিনা সনদে আছে, ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তি কোন অবিশ্বাসী ব্যক্তির নিমিত্তে আরেকজন বিশ্বাসীকে হত্যা করতে পারবে না। (এমনকি অবিশ্বাসী তার নিকটাত্মীয় হলেও)

সনদে আরো আছে, কোন অপরিচিত ব্যক্তি যিনি কারও কোন ক্ষতি বা কোন অপরাধ করেননি তাকে কেউ সাহায্য করলে তিনি অতিথিসেবক (যিনি সুরক্ষা করবেন) হিসেবে পরিচিত হবেন। কিন্তু সেই ব্যক্তি রাষ্ট্রবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকলে উক্ত সুরক্ষা দানকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। অথচ মৌলবাদী সংগঠনগুলো অনায়াসে রাষ্ট্রবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

বাইবেলের পুরাতন ও নতুন নিয়মের বিভিন্ন জায়গায় নরহত্যা নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। বাইবেলের ৬ নং অনুজ্ঞা বা আদেশ অনুযায়ী, নরহত্যা করবে না। (যাত্রাপুস্তক ২০:১৩)। তোমরা শুনেছও,প্রাচীনকালের মানুষদের কাছে বলা হয়েছিল, তুমি নরহত্যা করবে না, আর যে নরহত্যা করে, সে বিচারাধীন হবে। কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, যে কেউ নিজের ভাইয়ের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়, সে বিচারাধীন হবে; আর যে কেউ নিজের ভাইকে নির্বোধ বলে, সে বিচার সভার অধীন হবে; আর যে কেউ তাকে পাষণ্ড বলে, সে নরকের আগুনের অধীন হবে (মথি ৫:২১-২২)। ব্যভিচার না করেও যদি তুমি নরহত্যা কর তবে বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে অপরাধী (যাকোব ২:১১)।

বৌদ্ধ ধর্মে ধর্মসাধনার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌছতে হলে চারটি কর্মকে অবশ্য পরিহার করতে বলা হয়েছে। কারণ এই চারটি কর্ম ধর্ম সাধনার জন্য মহা অন্তরায় স্বরূপ। এগুলো মানব চরিত্রের স্খলন ঘটায়। যার মধ্যে একটি হলো নরহত্যা।

কাজেই প্রতিটি ধর্মের মানুষকে হিংসাত্মক মানসিকতা পরিহার করে শান্তি অর্জনের লক্ষ্যে, সমাজ জীবনে সংঘাত এড়িয়ে সহ অবস্থানের চেষ্টা করতে হবে । কারণ জঙ্গিবাদের কোন ধর্ম, বর্ণ গোত্র নাই। তাদের কারণে ধর্মের নামে হত্যা কিংবা খুনের বদলা খুন মানব ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে দিন দিন।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: জঙ্গিবাদধর্ম
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

গঙ্গা নদীতে খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেললে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে: আদালত

মে ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় কমিটি গঠন

মে ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জাবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীর অবস্থান কর্মসূচি

মে ১৮, ২০২৬

ডা. নাসিরের ওপর হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

মে ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মে ১৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT