চট্টগ্রাম থেকে: টানা তিন জয়। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বিপিএলের অষ্টম আসরে একমাত্র অপরাজিত দল তারাই। দলের দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়রা সমানতালে ভালো করছেন। দেখাচ্ছেন পেশাদারিত্ব। তাতে হেড কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন সন্তুষ্ট। এখন থেকেই সামনের চ্যালেঞ্জে চোখ তার।
‘আমরা প্রথম তিনটা ম্যাচের তিনটা উইন করেছি, এটা আমাদের জন্য ভালো। কারণ টুর্নামেন্টের শুরুটা ভালো হলে সহজাতভাবেই এটা পুরো দলে প্রভাব ফেলে। যেভাবে আমরা জিতেছি, তাতে মনে হচ্ছে ছেলেরা পেশাদারিত্ব ভালো দেখিয়েছে মাঠে। আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করছি সেভাবেই আগাচ্ছি। মনে করি টুর্নামেন্টের শুরুতে পয়েন্ট পাওয়া খুব ভালো ভাগ্যের ব্যাপার। টুর্নামেন্ট অনেক লম্বা। অনেক টিম মাঝ পথ থেকে মোমেন্টাম পায়, আমরা হয়তো প্রথমেই পেয়েছি। এটা আমাদের ধরে রাখা অনেক কষ্টকর হবে। কারণ ডে বাই ডে অন্য দলও একটা ভালো ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে যাবে। আশা করছি আমরাও এটা ধরে রাখতে পারব।’
সোমবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৫২ রানে হারিয়ে কুমিল্লা ধরে রেখেছে জয়যাত্রা। লিটন দাস নিজের প্রথম ম্যাচে নেমেই খেলেছেন ৪৭ রানের ইনিংস। ফ্যাফ ডু প্লেসিস, ক্যামেরুণ ডেলপোর্ট ব্যাট হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। পরে স্থানীয় বোলাররা করেছেন দারুণ। নাহিদুল ইসলাম, তানভির ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম নিয়েছেন একাধিক উইকেট। বিদেশি করিম জানাতও নিয়েছেন উইকেট।
সুনীল নারিন রোববার দলের সঙ্গে যোগ দিলেও খেলতে পারেননি হালকা চোট পাওয়ায়। পরের ম্যাচে পেতে আশাবাদী সালাউদ্দিন। প্লে-অফের আগে মঈন আলীকে পেলে আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে দলটি।
কুমিল্লার কোচ বললেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয় আমাদের সম্ভাব্য সেরা কম্বিনেশনটা এখনও হয়নি। কারণ আমাদের সুনীল এখনও খেলেনি। মঈন আসলে সেও খেলবে। আমাদের সেরা কম্বিনেশন হয়নি। তবে যারা আছে তারা ভালো পারফর্ম করছে। আমি অবশ্যই বলব আজকে ফ্যাফ অনেক ভালো ব্যাটিং করেছে এবং সেই সাথে ডেলপোর্টও অনেক কার্যকরী একটা ইনিংস খেলেছে। জেতা আমাদের জন্য খুব একটা ভালো সাইন। করিম জানাত কিন্তু ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। বিশেষ করে আমি আমার স্থানীয় বোলার ও ব্যাটসম্যানদেরকে নিয়ে বলব, সবাই অবদান রাখছে। এটা ভালো লক্ষণ যে আমরা একটা দল হিসেবে খেলতেছি। যেখানে একার কারও উপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।’








