রাজধানীর দয়াগঞ্জে ছিনতাইয়ের শিকার মায়ের কোল থেকে পড়ে সাত মাসের শিশু আরাফাতের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই বদরুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে বদরুলকে প্রত্যাহার করা হয়।
জানা যায়, সোমবার ভোরে দয়াগঞ্জে ছিনতাইয়ের ঘটনাস্থলের অদূরেই পুলিশের একটি চেকপোস্ট ছিল। সেই পোস্টের দায়িত্বে ছিলেন এএসআই বদরুল। তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এএসআই বদরুলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এর সঙ্গে দয়াগঞ্জে ছিনতায়ের কবলে সাত মাসের শিশুর প্রাণহানির ঘটনার কোন সম্পৃক্ততা নেই।
অবশ্য ছিনতাই ও আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার দুপুরেই অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আরাফাতের বাবা শাহ আলম গাজী বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান: আসামিকে ধরতে পুলিশের কয়েকটি টিম মাঠে কাজ করছে।
বড় ছেলে আলামিন অসুস্থ থাকায় দুই ছেলেকে নিয়ে সোমবার ভোরে ঢাকায় আসেন শাহ আলম ও আকলিমা দম্পতি। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর থেকে এসে তারা নামেন সদরঘাটে। সেখান থেকে বাবা শাহ আলম বড় ছেলে আলামিনকে নিয়ে শ্যামলীর শিশু হাসপাতালে যান। ছোট ছেলে আরাফাতকে নিয়ে রিক্সায় শনির আখড়ায় বোনের বাসায় যাওয়ার সময় পথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন আকলিমা।
ছিনতাইকারীরা তার ব্যাগ ধরে টান দিলে কোলে থাকা সাত মাসের আরাফাত পড়ে যায়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার ডাক্তাররা আরাফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।








