ছিটমহল বিনিময়ের উল্লাস শুরু হতে না হতেই এ নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে।
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, বাংলাদেশের ছিটমহলবাসীদের পুনর্বাসনে ৩ হাজার ৮ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো মোদী সরকার। কিন্তু এখন ৫০ কোটি টাকার বেশি দিতে পারছে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই কারণেই নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন নরেন্দ্র মোদি নিজেই। কেন্দ্র আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানে আগ্রহী বলে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মাধ্যমে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীকে। এ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি এলে তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী।
আগে দিতে চেয়ে কেনো সিদ্ধান্ত বদল হলো সেই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য, স্বাধীনতার ৬৮ বছর পরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এই ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি হয়েছে। এর ফলে ১৪ হাজার ২১৪ জন ছিটমহলবাসী ভারতীয় নাগরিকে পরিণত হলেন। আর ৩৬ হাজার ২১ জন বাংলাদেশের ভূখণ্ডেই থেকে যাচ্ছেন।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বলছে, শুধুমাত্র ৯৭৯ জন বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরতে চেয়েছেন। পুনর্বাসনের জন্য মাথাপিছু কেন্দ্র পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিলো।
কেন্দ্রের যুক্তি, সবাই না এসে যদি শুধু ৯৭৯ জন আসেন, তা হলে কেন্দ্রই বা কেনো তিন হাজার কোটি দেবে? মাথাপিছু পাঁচ লক্ষ টাকা হিসেবে পুনর্বাসন বাবদ মোট খরচ ৫০ কোটি টাকার সামান্য কম।
নতুন করে এই জট ক্ষুব্ধ করে তুলেছে মমতাকে। তিনি এতে বঞ্চনার গন্ধ পাচ্ছেন বলেও জানায় পত্রিকাটি।







