রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মস্থানে হওয়ার কথা ছিল ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের ফাইনাল। এ কারণে দেশটির সেন্ট পিটার্সবার্গের মাঠ ক্রেস্তোভস্কি স্টেডিয়ামও সেজেছিল বর্ণিল রূপে। ২০১৮ বিশ্বকাপ উপলক্ষে বানানো স্টেডিয়ামটিতেই বসতে যাচ্ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আসন্ন ফাইনাল।
কিন্তু পরিবর্তন এসেছে ইউরোপ সেরা বাছাইয়ের ভেন্যুতে। ইউক্রেনে চলমান রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে নতুন ভেন্যু প্যারিসের স্তাদে ডে ফ্রান্স স্টেডিয়ামকে ঘোষণা করেছে উয়েফা। ইউরোপিয়ান ফুটবল ক্লাবের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভেন্যু পরিবর্তনে নিশ্চিত ক্ষতির মুখে পড়েছে আয়োজকরা! কিন্তু টাকার অঙ্কে আর্থিক ক্ষতি কতটা?
ইংলিশ দৈনিক মার্কা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পৃষ্ঠপোষক-সংক্রান্ত কারণে গাজপ্রম অ্যারেনা নামে পরিচিত সেন্ট পিটার্সবার্গের ভেন্যুটি দেখবে বিশাল ক্ষতির ধাক্কা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় ফাইনাল আয়োজনে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষতির অঙ্ক দাঁড়াবে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ইউরো।
করোনা মহামারীর আগে ২০১৯ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল আয়োজন করেছিল মাদ্রিদ। স্পেনের রাজধানীতে বসেছিল লিভারপুল ও টটেনহ্যামের মাঝে ইউরোপ সেরার লড়াই। আয়োজক হিসেবে এস্তাদিও ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানো সেবার আয় করেছিল প্রায় ১২৩ মিলিয়ন ইউরো। যার অর্ধেকের বেশি প্রায় ৬৩ মিলিয়ন ইউরো পেয়েছিল মাদ্রিদ।
এবার যদিও করোনার সময়, তবুও আয়ের অঙ্কটা কোনো অংশে কম হতো না সেন্ট পিটার্সবার্গের। কিন্তু যুদ্ধের আঁচ ফুটবলেও লাগায় সব ঘাটে মারা গেল। আগামী ২৮ মে আসন্ন বড় আসরের ফাইনাল হচ্ছে না রাশিয়ায় সেটি নিশ্চিতও করেছে উয়েফা।








