বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাস মুখোমুখি হবে ফরাসি ক্লাব মোনাকোর। ওই ম্যাচে দুদলের হয়ে এমন দুজন খেলোয়াড় মাঠে নামবেন, যাদের একজনের ক্যারিয়ার যখন শুরু হয়ে গেছে আরেকজনের তখন জন্মই হয়নি। দুজনের বয়সের ব্যবধান ২০ বছরের বেশি।
তাদের একজন জুভেন্টাস অধিনায়ক জিয়ানলুইজি বুফন। অপরজন মোনাকো ফরোয়ার্ড কাইলিয়ান এমবাপে। এক ‘বৃদ্ধ’ ও অভিজ্ঞ গোলকিপারের বিরুদ্ধে এক কিশোরের এই লড়াইকে বলা হচ্ছে ‘দাদা-নাতির যুদ্ধ’।
ফরাসি নতুন তুর্কি এমবাপের জন্ম ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৮’তে। আর বুফন জন্মেছেন ২৮ জানুয়ারি ১৯৭৮ সালে। দুজনের বয়সের ব্যবধান ২০ বছর ১০ মাস ২১ দিন। দিনের হিসাবে ৭ হাজার ৬’শ ৩১ দিন।
জুভ-মোনাকোর ধুন্ধুমার লড়াইয়ের ফাঁকে বুফন-এমবাপের ব্যক্তিগত লড়াইতেও মনোযোগ থাকবে দর্শকদের। কোয়ার্টার ফাইনালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে দুই লেগে তিন গোল করেছেন এমবাপে। আর জুভেন্টাসের গোলবারের বিচক্ষণ প্রহরী তো নিজের রেকর্ড বাড়িয়েই চলেছেন।
দুজনের যে লড়াই হবে সেটা সেমিফাইনালের ড্র হওয়ার পর থেকেই টের পেয়েছেন তারা। তবে গত কয়েকদিনে বুফন-এমবাপে দুজনেই একে-অপরের প্রতি সম্মান রেখেই নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন।
এমবাপে বলেন, ‘তিনি (বুফন) একজন ঐতিহাসিক গোলকিপার এবং বিশ্বের সেরা। আমি তার বিপক্ষে খেলতে যাওয়ায় রোমাঞ্চিত অনুভব করছি।’
একইরকম অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন বুফনও। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে তিনি যখন মাঠে খেলেছেন ওই বছরের শেষ দিকে জন্ম হয় এমবাপের।
উয়েফার ওয়েবসাইটকে দেয়া সাক্ষাতকারে জুভেন্টাস অধিনায়ক বলেছেন, ‘ফুটবলে এত সময় ব্যয় করা জীবনের জন্য একটা সুন্দর ব্যাপার। এটা আরও আনন্দ এবং মজাদার যে আপনি এমন খেলোয়াড়দের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন যখন আপনার ক্যারিয়ার শুরু হয়ে গেছে কিন্তু তাদের জন্মই হয়নি’।







