বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’-এর আঠারো বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন,আমি চ্যানেল আই পরিবারকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় গণতন্ত্রের বিকাশ ও জনমতের প্রতিফলন ঘটাতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গণমাধ্যম জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পণ। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণমাধ্যম গণমানুষের বঞ্চনা ও চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি সজাগ থেকে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে জাতিগঠনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ গণমাধ্যম সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। এ স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমি আশা করি, এ দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রতি অবিচল থেকে চ্যানেল আইসহ সকল গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, নির্মল বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করবে। সংবাদ মাধ্যম ও সংবাদকর্মীগণ তাঁদের মেধা-মনন, সৃজনশীলতা ও কর্মদক্ষতা প্রয়োগ করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।
‘চ্যানেল আই’ প্রতিষ্ঠার পর হতে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করছে। বিশেষ করে কৃষি উন্নয়ন তথা গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অগ্রযাত্রায় ‘চ্যানেল আই’-এর প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। দেশপ্রেম ও বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে ‘চ্যানেল আই’ অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করবে এটাই সবার প্রত্যাশা।
আমি ‘চ্যানেল আই-এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”








