পবিত্র রমজানের রজনী অন্যান্য সাধারণ রাতের চেয়ে আলাদা। রোজার নিয়ত করে শেষ রাতে একসঙ্গে সেহরি করে পুরো পরিবার। সবার এই একসঙ্গে বসে খাবার খাওয়াটা তৈরি করে উৎসবমুখর পরিবেশ।
গণমাধ্যম জগতটাও একটি পরিবারের মতোই। বিশাল এই পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় আমেজে উৎসবের রেশ প্রতিবছরের মতো ছড়িয়ে দিলো চ্যানেল আইয়ের ‘সেহরি নাইট’।
চ্যানেল আই কার্যালয়ের ছাদ বারান্দায় ‘আল্লাহু-আল্লাহু’ কাওয়ালিতে গলা মেলালেন আগত অতিথিরা। হামদ-নাতে ফাতেমা তুজ জোহরার মতো দেশবরেণ্য শিল্পীরা সুরে সুরে শোনান আল্লাহর অপার মেহেরবানির কথা।

সেহরির শেষ সময় ছিলো ৩টা ৩৮ মিনিটে। মধ্য রাতের পর থেকেই আসতে শুরু করেন বিশেষ সেহরির অতিথিরা। সুস্বাদু খাবারের আয়োজনও চলে পাল্লা দিয়ে।

রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসীর তত্ত্বাবধানে শতাধিক পদের খাবার ছিল এই বিশেষ সেহরির আয়োজনে।

সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে ছোট-বড় পর্দার শিল্পী, কলা-কুশলীরা সুযোগ পেয়েছিলেন কুশল বিনিময়ের, সেলফি তুলে নিজেদের এই একাত্ম হওয়াকে ফ্রেমবন্দি করার। 
চ্যানেল আইয়ের পরিচালক এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এই আয়োজন সম্পর্কে বলেন,‘সিয়াম সাধনার এই মাসে অন্তত একটি দিন সবার এই একাত্ম হওয়াটা আমাদের ভাতৃত্ব বাড়ায়। সবাই মিলে সেহরি করার মাধ্যমে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে একটি উৎসবে পরিণত করেছি আমরা।’
সবাইকে নিয়ে চ্যানেল আইয়ের এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে প্রাণ।এমন আয়োজন যেমন বলে ধর্মের কথা তেমনি অটুট রাখে সৌহার্দ্য। তাই ভবিষ্যতে এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা থাকবে বলে জানালেন আয়োজকরা।







