দেশপ্রেম ও বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে চ্যানেল আই অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করবে বলে তার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।
চ্যানেল আই’র উনিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে এক বাণীতে চ্যানেল আই পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি।
বাণীতে তিনি বলেন: চ্যানেল আই প্রতিষ্ঠার পর হতে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করছে। বিশেষ করে কৃষি উন্নয়ন তথা গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণকে উদ্ধুদ্ধকরণে চ্যানেল আইর প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।
‘আমি আশা করি, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রতি অবিচল থেকে চ্যানেল আইসহ সকল গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, নির্মল বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করবে। সংবাদ মাধ্যম ও সংবাদকর্মীগণ তাদের মেধা-মনন, সৃজনশীলতা ও কর্মদক্ষতা প্রয়োগ করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।’
রাষ্ট্রপতি বলেন: গণতন্ত্রের বিকাশ ও জনমতের প্রতিফলন ঘটাতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গণমাধ্যম জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পণ। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণমানুষের বঞ্চনা ও চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি সজাগ থেকে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে জাতিগঠনেও গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
‘সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। এ স্বাধীনতার সাথে দায়িত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’
বাণীতে চ্যানেল আই’র উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।







