পন্ডিত হরিপ্রশ্রাদ চৌরাশিয়ার জাদুকর বাঁশির সুরে শেষ হলো বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ৫ দিনের উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসব।
রাগাশ্রয়ী বাদ্য আর সংগীতের মায়ায় হৃদয় ডুবিয়ে নির্ঘুম প্রতিটি গানের রাত পার করছে উচ্চাঙ্গ সংগীত ভক্তরা ।
বাঁশির সুরের প্রতি চিরকাতর বাঙ্গালী। আর তাতে যাদি হয় বাঁশির জাদুকর পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়ার ডাকাতিয়া বাঁশি তা হলেতো কোন কথাই নেই।
সুরের মুর্ছনায় মুগ্ধ হয়েছেন আর্মি স্টেডিয়ামে আসা এবারের উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবের শেষ দিনের দর্শক-শ্রোতারা।
আনুষ্ঠানের শুরুতে দেশ রাগে ধামার ও রাগ ভুপালিতের চতুরঙ্গ পরিবেশন করেন সিলেটের গীতিবিতান বাংলাদেশ। এরপর নাচ নিয়ে আসেন ভারতের বিখ্যাত নৃত্যশিল্পি ও কোরিওগ্রাফার আলরোমেল ভাল্লি।
ওস্তাদ সুজাত খানের সেতারের সুরও মনকেড়ে নেয় দর্শক শ্রোতাদের। শেষ রাতের আয়োজনে মঞ্চে খেয়ালের জাদু ছড়ান ওস্তাদ রশিদ খান।
উচ্চাঙ্গ সংগীতের এ আসর দেশে শুদ্ধ সংগীতের জাগরণ সৃষ্টি করবে বলে মনে করেন আয়োজক ও বিশিষ্টজনেরা।
বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীতের এবারের আসর উৎসর্গ করা হয় প্রয়াত চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর প্রতি।






