জেলার চারটি উপজেলায় ৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠেছে থাই-৩, ৫ ও ৬ জাতের পেয়ারার বাগান। এক বিঘা জমিতে লাগানো যাচ্ছে ১৮০-২০০টি পেয়ারার গাছ। প্রতিটি গাছ একনাগাড়ে ফলন দিতে পারে ৭-৮ বছর। গাছ লাগানোর ১৮ মাস পর থেকে পেয়ারা বাজারজাত করা যায়।
একজন কৃষক বলেন, বিঘায় ১৮০টি গাছ ধরে। ফলন ভালো হলে একটি গাছে ৭০-৮০ কেজি পেয়ারা হয়। আরেক জন কৃষক জানান, জুলাই-আগস্টে ফলন বেশি হয়। বছরে বার মাসই এই পেয়ারার ফলন হয়।
চারা লাগানো থেকে শুরু করে ফল ধরা পর্যন্ত কৃষকের খরচ ৪০ হাজার টাকা। খরচ বাদে কৃষকের লাভ থাকছে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।
একজন কৃষক বলেন, পেয়ারার ওজন যখন ১শ গ্রাম হয় তখন রোগমুক্ত করার জন্য পলিথিন দিয়ে মুড়ে দেয়া হয়। থাই পেয়ারা ১২ মাসই ফলন পাওয়া যায়। বিশেষ করে বর্ষাকালে ফলন অনেক বেশি হয়।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নির্মল কুমার দে বলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর, আলম ডাঙ্গা এবং দামুড়হুদায় থাই পেয়ারার চাষ হয়। এর বাজার মূল্যও অনেক বেশি।
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।







