ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের গুলশান জোনাল টিম দেশের কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকারসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পারভীন আক্তার শাহীনুর ওরফে আলপিনা খাতুন, শুভ বনিক, ভানু লাল বনিক, অমিত দেবনাথ, কৃষ্ণ চন্দ্র কর্মকার ও সুজন বনিক।
সোমবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশের কাউন্টার টেররিজমের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, রাজধানীর গুলশানের রাশেদুল ইসলামের বাসায় কাজের বুয়া হিসাবে ছিলেন পারভীন আক্তার ওরফে আলপিনা খাতুন। গত ৫ মার্চ দুপুরে ওই বাসা হতে সে ৬০ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়। আলপিনা খাতুনকে গত ৪ মে নেত্রকোনা তার গ্রামের বাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেসময় ১৮ ভরি ওজনের স্বর্ণের হার উদ্ধার করা হয়।
মনিরুল ইসলাম জানান, রিমান্ডে আলপিনার স্বীকারোক্তি মতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লাকি বাজার হতে চোরাই স্বর্ণ কেনার অপরাধে শ্রী দূর্গা শিল্পালয় নামের স্বর্ণের দোকানদার আসামী শুভ বনিক ও ভানু লাল বনিককে এবং মাতৃ স্বর্ণ শিল্পালয়ের মালিক অমিত দেবনাথকে ০৩ ভরি গলানো স্বর্ণসহ গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়াও আলপিনা খাতুন গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে গুলশানের খন্দকার জামিল উদ্দিনের বাসা হতে ২৭ ভরি ওজনের স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের অলংকার চুরি করে পালিয়ে যায়।
আলপিনার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার শ্যামগঞ্জ বাজারের স্বর্ণকার কৃষ্ণ চন্দ্র কর্মকার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লাকি বাজার হতে সুজন বনিককে গ্রেফতার করে। এসময় সুজন বনিকের হেফাজত হতে ২৫ পিস ডায়মন্ড উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা জানায়, পারভীন আক্তার শাহীনুর ওরফে আলপিনা খাতুনের নিকট হতে তারা চোরাই স্বর্ণ ও ডায়মন্ড ক্রয় করেছিল।








