বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হোটেল লা মেরিডিয়ানে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ওই বৈঠক শুরু হয়। সাক্ষাত উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন বিকাল ৫টায় হোটেলে পৌঁছান।
বৈঠকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে. জেনারেল মাহবুবুর রহামন(অব.), নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ও রিয়াজ রহমান।

এরপরে চীনা প্রেসিডেন্ট বৈঠক করবেন জাতীয় সংসদের স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে। সন্ধ্যা ছয়টায় চীনা রাষ্ট্রপতি যাবেন বঙ্গভবনে। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকের পর যোগ দেবেন রাষ্ট্রীয় ভোজসভায়।
শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে যাবেন সাভারে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। সকাল দশটায় বিশেষ বিমানযোগে ভারতের গোয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন চীনা প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বিদায় জানাবেন।
শি জিনপিং এর সফরে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, নিরাপত্তা কর্মী, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকসহ প্রায় দু’শ সফরসঙ্গী রয়েছেন।
শুক্রবার সকাল ১১টা ৩৬ মিনিটে নমপেন থেকে বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটযোগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান ও এশিয়ার শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছলে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।
প্রায় ২২ ঘণ্টার সফরে ঢাকা এসে পৌঁছালে বিমানবন্দরে ২১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, সালাম গ্রহণ, গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
বিকেল তিনটায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও আলোচনা করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
গত তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসলেন চীনের কোনো রাষ্ট্র প্রধান। বৈশ্বিক অর্থনীতির মোড়ল এ দেশটির শীর্ষ নেতার সফর তাই বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশের কাছে। চীনের পক্ষ থেকেও সফরকে দেখা হচ্ছে ‘মাইলফলক’ হিসেবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর আগমন উপলক্ষে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।







