চিকুনগুনিয়ায় এখন অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ আবার এ সময়ে বা তারপরে রোজা রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু শরীর তো এক্ষেত্রে সাপোর্ট দিতে চাইবে না। তাই তাদের জন্য আজ রয়েছে কিছু ডাক্তারি পরামর্শ।
- চিকুনগুনিয়াতে আক্রান্ত হলে রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে যায়। কারণ, এ সময় শরীর দূর্বল লাগে। তাই দূর্বলতা নিয়ে রোজা রাখা কষ্টকর।
- চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত রোগীদের সবচেয়ে যে ইতিবাচক দিক, তা হলো এই রোগে মৃত্যুর হার একেবারেই শূণ্য। কিন্তু বয়স্ক কেউ যদি অন্য রোগগুলোতে আক্রান্ত থাকেন এবং তার পাশাপাশি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হন, তবে মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ে। তাই বয়স্ক বা প্রবীণ ব্যাক্তিরা এটা থেকে সেরে ওঠার পর একেবারেই রোজা থাকার ঝুঁকি নেবেন না।
- চিকুনগুনিয়াই শুধু নয়, এমনিতেও এই সিজনে জ্বর একটু বেশি হচ্ছে। আর তা থেকেও শরীর দূর্বল হয়ে রোজা রাখা কষ্টকর হয়।
- চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত হলে বমি বমি লাগে, মাথা ব্যথা হয়, খেতে ইচ্ছা করেনা। আর এসব উপসর্গ থাকলে তো সে এমনিতেই রোজা করতে পারবেনা।
- চিকুনগুনিয়া হলে শরীরের তাপমাত্রা অধিক থাকে। আর তাপের সাথে শরীর থেকে পানিও বের হয়ে যায়। কিন্তু সেটা আমাদের কাছে অদৃশ্য থাকে। তাই এসময়ে পানি খেতে হবে বেশি বেশি। রোজা রাখলে ডি-হাইড্রেশন হবার সম্ভাবনা থাকবে অনেক বেশি।
- চিকুনগুনিয়ার সময় বা তার পরে শরীর দূর্বল থাকে। ফলে শুধু রোজাই নয়, ধর্মীয় অন্যান্য বিষয় সম্পাদন করা তার জন্য কষ্টকর। প্রয়োজনে আক্রান্ত ব্যক্তি রোজাগুলো পরেও এক সময় করে নিতে পারেন।
- চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলে সে সময় বা পরে প্রচুর পানি খেতে হয়। তাই আক্রান্ত ব্যাক্তির জন্য রোজা রাখাটা কষ্টকর।
- আক্রান্ত ব্যাক্তিকে ছয় ঘন্টা পরপর সাধারণত নাপা, প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দেওয়া হয়। তাই এ সময়ে বা পরেও রোজা রাখাটা তার জন্য কষ্টকর।
- আক্রান্ত ব্যাক্তিকে অসুখ থেকে সেরে ওঠার পরেও প্রচুর পুষ্টিকর খাবার, সবজি খেতে হবে ঘাটতি পূরণের জন্য। তাই তার জন্য সেরে ওঠার পরও রোজা রাখা অসুবিধা।
পরামর্শ দিয়েছেন ডা. নয়নমনি সরকার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।







