বেশ কয়েকবছর ধরেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একের পর এক বোর্ড কর্তা আসছে আর যাচ্ছে। সে তালিকায় চার বছরের মাথায় চতুর্থ পরিবর্তন দেখল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড প্রধান রিচার্ড ফ্রয়েডেনস্টাইনের পর নতুন করে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের দায়িত্ব নিয়েছেন ল্যাচলান হেন্ডারসন।
ডেভিড পিভার ও আর্ল এডিংসের পর অজি ক্রিকেটের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ফয়েডেনস্টাইন। তবে নানা ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে শেষমেশ ডক্টর ল্যাচলান হেন্ডারসনকে বোর্ডে স্থায়িভাবে নিয়োগ দিয়ে যান।
তবে হেন্ডারসন কিছুটা কঠিন সময়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। যখন সংক্ষিপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান থাকা কালীন ফ্রয়েডেনস্টাইন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়ক টিম পেইন ও কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার উভয়ই পদত্যাগ করেছেন। যেখানে বড় ভুমিকা পালন করেছিল বিদায়ি বোর্ড প্রধান।
বিদায়ি সিএ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন যে হেন্ডারসন প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকার সাথে সাক্ষাৎকারের পরে সর্বসম্মতভাবে বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সমস্ত রাজ্য এবং অঞ্চল সিএ নিয়োগে তাদের সমর্থন দিয়েছে।
ক্রিকেট বোর্ডে জড়িত হওয়ার আগে হেন্ডারসন এপওয়ার্থ হেলথকেয়ারে প্রধান নির্বাহী হিসেবে ৩০ বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা শিল্পে কাজ করেছেন, তবে ক্রিকেট এবং ক্রিকেট প্রশাসনে তার বরাবরই ভূমিকা ছিল। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা হেন্ডারসন ডাবলিউএ অঞ্চলের হয়ে জুনিয়র ক্রিকেট খেলেন ও পার্থে ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে প্রথম গ্রেডে খেলেন। এছাড়াও ২০১৮ সাল থেকে সিএ-তে একজন স্বাধীন পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুনাম আছে হেন্ডারসনের।
‘চেয়ার নির্বাচিত হওয়া ও অজি ক্রিকেটের দায়িত্ব নেয়া আমার জন্য সম্মানের। আমার কাজের পরিধি বাড়ায় আমি উচ্ছ্বাসিত। বোর্ডের নয় জনের মধ্যে সাত জনের এ তিন বছরের কম অভিজ্ঞতা হওয়ায় কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিং, তবে আমি তা নিতে চায়।’
‘আমি আমাদের রাজ্য ও অঞ্চলের ক্রিকেট চেয়ার, অ্যাসোসিয়েশন ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন সাথে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। আমাদের খেলোয়াড়দের উন্নতি করে ভবিষ্যতে ক্রিকেটের উন্নতি অব্যাহত রাখতে চায়। চেয়ার হিসেবে আমার কাজ হবে অস্ট্রেলিয়ার সকল স্তরের ক্রিকেটে উন্নতি করা। যেখান থেকে আগামীর তারকারা উঠে আসবে।’








