টি২০ ক্রিকেটের সৌন্দর্য চার-ছক্কা। তার সঙ্গে সেঞ্চুরীর ধামাকা থাকলে আর কি চাই। তবে এবারের বিপিএলে গ্রুপ পর্যয়ের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত সেঞ্চুরি দেখেছে একটিই। আর সেটে এসেছে ক্রিস গেইলের স্বদেশী এভিন লুইস ব্যাট থেকে। বরিশাল বুলসের এই ব্যাটসম্যান ১ ডিসেম্বর ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ৬৫ বল থেকে ৭ চার ৬ ছয়ে করেছিলেন ১০১ রান।
তবে বিপিএলের এ পর্যন্ত তিন আসরে ৮টি সেঞ্চুরির ৩টিই এসেছে ক্যারিবিয়ান ঝড় ক্রিস গেইলের ব্যাট থেকে। সর্বোচ্চ ১১৬ রানের ইনিংসটিও ছিলো এ ক্যারিবিয়ানের।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩৩৯ রান করেছেন কুমার সাঙ্গাকারা। তার পরেই রয়েছেন চিটাগং ভাইকিংসের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তার সংগ্রহ ২৯৮ রান। তবে তিন আসর মিলিয়ে সর্বোচ্চ রানটি এখনও টাইগার টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের। ৩৪ ম্যাচে ৩১ ইনিংস থেকে তার সংগ্রহ ৮৩১ রান।
বল হাতে সফলদের তালিকায় প্রথম তিনজনই বাংলাদেশী। ৯ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে সবার আগে রয়েছেন দেশ সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। এরপর ১৬ও ১৫ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন তরুণ বাহাতি পেসার আবু হায়দার রনি এবং আরাফাত সানি।
নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে আমিরে সংগ্রহ ১৪ উইকেট। তবে এবারের আসরে হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়ে আলো কেড়েছেন আল-আমিন হোসেন।
সর্বোচ্চ ৭টি ছয় এসছে আসার জাইদির ব্যাট থেকে। এরপরেই আছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি হাকিয়েছেন ৬টি ছয়। তবে তিন আসর মিলিয়ে সবার আগে রয়েছেন ক্রিস গেইল। তিন আসরে মাত্র ৯টি ম্যাচ খেলে হাঁকিয়েছেন ৪৮টি ছয়।
তবে সবার মাঝে এটি ব্যতিক্রমী জায়গায় এগিয়ে ইমরুল কায়েস। সর্বোচ্চ ৫টি ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে সর্বোচ্চ ডাকের মালিক এ বাহাতি। তার পরেই আছেন রুবেল হোসেন তিনি আউট হয়েছেন চারবার শূন্য রানে।






