কক্সবাজার থেকে: পাকিস্তানের বিপক্ষে জিততে শেষ বলে দরকার ২ রান। স্ট্রাইকে সাইফউদ্দিন ছিলেন বলেই আশা ছিল বাংলাদেশের। পেয়েও গেলেন ফুলটস। কিন্তু একি! ফুলটস বলটি পয়েন্টে ঠেলে ১ রান নিলেন। টাই হলো ম্যাচ। এমন দিনের পর অধিনায়ক মুমিনুলক হক বলছেন, চাপের কারণে সাইফ ম্যাচ বের করতে পারেননি।
‘ওই সব পরিস্থিতিতে আগে না খেললে বুঝে ওঠা কঠিন। সাইফ ওই পরিস্থিতিতে খুব কম খেলেছে। তাই চাপের কারণে সে বিষয়টি হ্যান্ডেল করতে পারেনি।’
পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে দারুণ লড়াই করেছে বাংলাদেশ। এজন্য টাইয়ে অসন্তুষ্ট নন মুমিনুল। তবে জিততে পারলে বেশি খুশি হতেন বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘পাকিস্তানের মতো শক্ত বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে টাই করতে পারায় আমি সন্তুষ্ট। তবে জিততে পারলে ভালো হতো। সেমিফাইনালে এই ম্যাচের শিক্ষা কাজে দেবে।’
তিন ম্যাচেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন লোকাল বয় মুমিনুল। পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেছেন ৭৫ রানের দারুণ এক ইনিংস। শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে হাল ধরেছেন। দুই ম্যাচেই তার ব্যাট থেকে এসেছে হাফসেঞ্চুরি। নিজের ব্যাটিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুমিনুল বলেন, ‘দিনশেষে শেষ করে আসতে পারলেই নিজের ইনিংস নিয়ে সন্তুষ্টি থাকে। আমার ব্যাটিং নিয়ে আমি খুশি। বিশেষ করে পাকিস্তানের মতো শক্ত বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে খেলায়। কিন্তু জিততে না পারলে এমন ইনিংসের দাম নেই। শুধু আমি না, মিথুন ভাইসহ যারা সিনিয়র আছেন সবাই যদি দায়িত্ব নিয়ে খেলি তাহলে ভালো কিছু সম্ভব।’
শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কখনও ছিটকে পড়া, কখনও ম্যাচে ফেরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ২৩৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এভাবেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ ওভারে ৭ রানের সহজ সমীকরণ মেলানো যায়নি দুই উইকেট হাতে নিয়েও। তবে এ আক্ষেপ নিয়ে পড়ে থাকছে না বাংলাদেশ। ১ এপ্রিলের সেমিফাইনালের দিকে তাকিয়ে তারা। সেমিফাইনালের ভেন্যু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম যাবে মুমিনুল হকের দল।








