২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বিশ্বব্যাংক। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে প্রথম ৬ মাসে প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক ধারা হিসেবে করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।
5চলতি বছর বিশ্বজুড়ে মধ্যমমাপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে উঠতি এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলো বেশি উন্নতি করবে বলেও ধারণা প্রতিষ্ঠানটির।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনার রিপোর্টে গত বছরের ২ দশমিক ৩ শতাংশের তুলনায় এবছর ২ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা এ সংস্থার প্রতিবেদন ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ অনুসারে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবৃদ্ধি অর্জনে বেশ এগিয়ে ভারত। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে চলতি অর্থবছরে জিডিপি ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে দেশটি।
অন্যদিকে পাকিস্তান ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান প্রায় সবার চেয়ে থাকবে বলেও ধারণা তাদের।
বাংলাদেশে গত অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের বেশি ছিল। বছরের চূড়ান্ত হিসেব অনুসারে প্রবৃদ্ধি হয় ৭ দশমিক ১১ শতাংশ। সেবার অবশ্য বিশ্বব্যাংক জানিয়েছিল, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কোনভাবেই ৬ দশমিক ৫ ভাগের বেশি হবে না। কিন্তু সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে শেষ পর্যন্ত ৭ ভাগের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। 
রেমিটেন্স প্রবাহ কমতে থাকায় এবং রপ্তানি খাতের দুর্বলতায় ২০১৭-১৮ সালের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামতে পারে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, চলতি অর্থ বছরেও ৭ শতাংশের বেশি হবে প্রবৃদ্ধি। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যাই হোক, প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে নামবে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজস্ব খাতে ভারসাম্য আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না হলে এবং আর্থিক ও করপোরেট খাতে স্থিতিশীলতার অবনমন ঘটলে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির গতি আরও কম হয়ে যেতে পারে।








