চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে বাতিল হওয়া ৮৯ ভোট নিয়ে মুখ খুলেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান মনতাজুর রহমান আকবর। আজ রোববার বিকালে চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন হয়েছে ২১টি পদে। কিন্তু ৮৯ জন ভোটার এই সবগুলো পদে ভোট দেয়নি। তাই নিয়ম অনুযায়ী তাদের ভোট বাতিল হয়েছে।’
নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দিতেই ৮৯টি ব্যালট পেপার বাতিল করা হয়েছে— এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মনতাজুর রহমান আকবর বলেন, ‘কথাটি একদম ঠিক নয়। আমরা নিয়ম অনুযায়ী যা করার, তা–ই করেছি।’
বাতিল হওয়া ৮৯টি ব্যালট পেপার নিয়ে ইতিমধ্যে চলচ্চিত্র শিল্পী আর সংবাদ মাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন ভোটের ফলাফল পাল্টে দিতেই এই ব্যালট পেপারগুলো নষ্ট করা হয়েছে।
গত শুক্রবার এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এতে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান নির্বাচিত হন।
এবার ২১টি পদের বিপরীতে ৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। মোট ভোটার ছিলেন ৬২৪ জন। ভোট দিয়েছেন ৫৫৮ জন। এর মধ্যে ৮৯টি ব্যালট পেপার বাতিল হয়। গত শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৫টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়। ফলাফল ঘোষণা করা হয় পরদিন শনিবার সকালে।
এবার নির্বাচনে তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। প্যানেল তিনটি হলো ওমর সানি-অমিত হাসান, মিশা সওদাগর-জায়েদ খান এবং ড্যানি সিডাক-ইলিয়াস কোবরা। এর মধ্যে ওমর সানি-অমিত হাসান প্যানেল থেকে জয়লাভ করেছেন সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক জাকির হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কমল আর কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে জেসমিন, ফেরদৌস, মৌসুমী ও সুশান্ত। ড্যানি সিডাক-ইলিয়াস কোবরা প্যানেল থেকে শুধুমাত্র কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে জয়লাভ করেছেন নাসরিন। বাকি সবকটি পদে জয়লাভ করেছেন মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল থেকে।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। এবার ১৪তম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত








