প্রিমিয়াম স্মার্টফোন হিসেবে বহুল পরিচিত ব্ল্যাকবেরি হ্যান্ডসেটের বাজারে তাদের অবস্থান ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। শুধু প্রিমিয়াম হ্যান্ডসেট দিয়ে টিকতে না পেরে চীনভিত্তিক কনজিউমার ইলেকট্রনিকস নির্মাতা টিসিএলের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম শুরুর এক বছর পেরিয়ে গেছে কানাডা ভিত্তিক ব্ল্যাকবেরি। এ উপলক্ষে ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা শেয়ার করেছে ব্ল্যাকবেরি কর্তৃপক্ষ।
আগামী কয়েক বছরেহ্যান্ডসেট বাজারের কম করে হলেও ৩ শতাংশ দখলে নিতে চায় ব্ল্যাকবেরি। তবে সে লক্ষ্যপূরণ অতোটা সহজ হবে না বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি ও টেলিকম বিশেষজ্ঞরা।
কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্যমতে, গত বছর চতুর্থ প্রান্তিকে মাত্র ১ লাখ ৭০ হাজার ফোন বিক্রি করেছে ব্ল্যাকবেরি। কিন্তু গত বছরজুড়ে প্রিমিয়াম হ্যান্ডসেটের বিক্রি দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ইউনিটে। সাধারণত ৪০০ ডলার মূল্যের বেশি দামের হ্যান্ডসেটকে প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে ব্ল্যাকবেরি মোবাইলকে বছরে অন্তত ১ কোটি ইউনিট বা প্রতি প্রান্তিকে ২০-৩০ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট বিক্রি করতে হবে।
কানাডাভিত্তিক ব্ল্যাকবেরি লিমিটেডের কাছ থেকে ব্ল্যাকবেরি ব্র্যান্ডের ফোন তৈরির লাইসেন্স পেয়েছে টিসিএল। পাশাপাশি অ্যালকাটেল ব্র্যান্ডের বাজেট ফোন তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রিমিয়াম ফোনের পাশাপাশি বাজেট ফোন দিয়ে কীভাবে বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করা যায়, তা দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
হ্যান্ডসেট বাজারে দুটি ঐতিহ্যবাহী ফোন ব্র্যান্ড এখন ব্ল্যাকবেরি ও নকিয়া। কোম্পানি দুটি নিজেরা সরাসরি ডিভাইস তৈরি না করলেও তাদের ব্র্যান্ড ব্যবহার করে হ্যান্ডসেট ও প্রযুক্তিপণ্য তৈরির অনুমতি দিচ্ছে।
নকিয়া সম্প্রতি হ্যান্ডসেট বাজারে ফিরেই প্রথম প্রান্তিকে ফিচার ফোন বাজারের তৃতীয় স্থান দখলে নিয়েছে। বিশ্ববাজারে গ্রাহকরা নকিয়া ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনকে সাদরে গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ। নকিয়ার প্রত্যাবর্তনকে অনুসরণ করে ব্ল্যাকবেরি প্রিমিয়াম হ্যান্ডসেটের বাজার যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, কোরিয়া এবং পশ্চিম ইউরোপে উপস্থিতি বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে বলে কোম্পানিটির সূত্রে জানা গেছে।







