কয়েকটি ডেস্কটপ-ল্যাপটপ, একজোড়া মোবাইল ফোন আর কিছু তরুণ সংবাদকর্মী। ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল চ্যানেল আই অনলাইনের যাত্রাটা ছিল খুব ছোট আকারে। চার বছরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথম দুই বছরে চ্যানেল আই অনলাইন আজ শুধু নিজেদের সংবাদকর্মীর হিসাবেই চারগুণ নয়, অনলাইন সাংবাদিকতায়ও এর প্রভাব বিস্তৃত অনেকগুণ। এ সময়ের মধ্যে যেমন নতুন নতুন বিভাগ চালু হয়েছে, তেমনি উন্নত হয়েছে সংবাদ পরিবেশনের ধরন। প্রথম দুই বছরে চ্যানেল আই অনলাইন যেমন সবার আগে নির্ভুল সংবাদ দিতে সমর্থ হয়েছে, তেমনি দিতে পেরেছে ভেতরের সংবাদ এবং সংবাদ বিশ্লেষণ। শুরুটা শুধু অনলাইনের নিজস্ব টেক্সট আইটেম এবং চ্যানেল আই টেলিভিশনের ভিডিও দিয়ে হলেও এখন চ্যানেল আই অনলাইন দিচ্ছে মাল্টিমিডিয়ার সব ধরনের কনটেন্ট। আমরা দ্রুত খবর দেবো কিন্তু কোনভাবেই ভুল খবর দেবো না- এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে চ্যানেল আই অনলাইন শুধু টেক্সট নয়, ফোকাস করছে মাল্টিমিডিয়ায়ও। ভিডিও, সাউন্ড, গ্রাফিক্স, লাইভ সব নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে পাঠক,দর্শকের সব ধরনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে। সাংবাদিকতার সব ধরনের নীতি-নৈতিকতা মেনে এবং যুগের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতাই চ্যানেল আই অনলাইনের মূল লক্ষ্য, তাই বলে যে সেই গড্ডালিকা প্রবাহে আমরা মিশে গেছি তা নয়। সাংবাদিকতায় যে নীতি নৈতিকতা মেনে চলতে হয়, চ্যানেল আই অনলাইন সেই জায়গাগুলোকে সবসময় প্রাধান্য দিয়ে থাকে। বিভিন্ন মহলে সমাদৃত চ্যানেল আই অনলাইনের চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন দেশের সব অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। আমাদের এই এগিয়ে যাওয়ার পথে আমাদের সঙ্গে ছিলেন অগণিত পাঠক আর শুভানুধ্যায়ী, যাদের কাছে আমাদের অশেষ ঋণ। তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।







