চট্টগ্রামে আড়তদারদের সিন্ডিকেটের কারসাজিতে লোকসানের অভিযোগ তুলেছেন মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা। তবে আড়তদারদের দাবি, মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করায় এবং প্রক্রিয়া খরচ বেড়ে যাওয়ায় কম দামে চামড়া কিনতে হয়েছে।
চট্টগ্রামে এবার গরু-মহিষ মিলে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ পশু কোরবানি হয়েছে। যুগ-যুগ ধরে কোরবানির চামড়া স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করে আড়তদারদের কাছে বিক্রি করে আসছেন মৌসুমি ব্যাবসায়ীরা। কিন্তু, এবার চিত্র ভিন্ন। লোকসানের ভয়ে অনেকে চামড়া বিক্রিই করেননি। ফলে, নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বহু চামড়া। মৌসুমি ব্যাবসায়ীদের অভিযোগের আঙুল আড়তদারদের সিন্ডিকেটের দিকে।
আড়তদারদের দাবি, সারা বছর চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত না থাকা মৌসুমি ব্যাবসায়ীরা অভিজ্ঞতার অভাবে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করেছেন, তাই লাভ করতে পারছেন না। ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দর ৪০ টাকা নির্ধারণ করা, লবণের দাম বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের বাড়তি মজুরিকেও – কম দামে চামড়া কেনার কারণ হিসেবে দাঁড় করান আড়তদাররা। আড়তদারদের সাথে একমত চট্টগ্রামের চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির নেতারাও।
চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মো. আব্দুল কাদের বলেন, ঢাকার ট্যানারিগুলো গত বছরের টাকা এখন পর্যন্ত আমাদের অনেক ট্যানারির মালিকরা পরিশোধ করে নাই। এখন মালিকরা যদি আগের বাকি টাকা পরিশোধ না করে তাহলে অামরা বর্তমানে চামড়াগুলো কোন ট্যানারির মালিকের কাছে বিক্রি করবো কোথায় টাকা পাব এটি নিয়েই আমরা সংশয়ে আছি।
আড়তদাররা জানিয়েছেন, তাদের চামড়া প্রক্রিয়াকরণের কাজ শেষ। আগামী দু’-এক সপ্তাহের মধ্যেই ট্যানারিগুলো মজুদ চামড়া কিনে নেবে।








