চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে বাঁশখালীর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর অনুসারীদের হামলায় মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও পুলিশসহ কমপক্ষে অর্ধশত আহত হয়েছে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
বাঁশখালীর সাংসদ কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী শহীদ মৌলভী সৈয়দের বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আলী আশরাফকে গার্ড অব অনার না দেয়া এবং বাঁশখালীতে এমপি মোস্তাফিজ কর্তৃক মৌলভী সৈয়দের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন সমাবেশের আয়োজন করে মুক্তিযোদ্ধারা। এতে কয়েকশ মুক্তিযোদ্ধা এবং সন্তান কমান্ডের বেশ কয়েকটি সংগঠন অংশ নেয়।
সমাবেশ চলাকালে এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর অনুসারী বাঁশখালীর পৌর মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরী, এমপির পিএস তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি গ্রুপ মিছিল সহকারে এসে বয়স্ক মুক্তিযোদ্ধাদের উপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। সেসময় তারা মাইক, প্যান্ডেল ভাঙচুর করে এবং সব ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।
এসময় গুরুতর আহত হয় মৌলভী সৈয়দের ভাতিজা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফ্ফর আহাম্মদ, মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, ছাত্রনেতা আবু সাদাত, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদসহ আরও অর্ধশত জন।
হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার চট্টগ্রামে জনতার সমাবেশের ডাক দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধারা। ঘটনাস্থল থেকে জনতা সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের অনুসারী ৩ হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।








