চট্টগ্রাম থেকে: নেতৃত্ব হারানোর পেছনে দলের প্রধান নির্বাহী সৈয়দ ইয়াসির আলমের হাত আছে বলে অভিযোগ করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওই ব্যক্তি দলের সঙ্গে থাকলে বিপিএল না খেলার ঘোষণা দিয়েছেন এ অলরাউন্ডার।
টিম হোটেল থেকে স্বপরিবারে বের হয়ে যেতে চেয়েছিলেন মিরাজ। গেট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় লজিস্টিক ম্যানেজার বুঝিয়ে ফিরিয়ে হোটেল কক্ষে নিয়ে যান তাকে।
তার আগে মিরাজ বলেন, ‘খেলার কোনো মন মানসিকতা আসলে নাই, উনারা যা করেছে তা আমার সাথে ঠিক হয়নি। হয়তো কোচ যাওয়ার আগে অনেককিছু বলে গেছে, আমাকে খেলার ৩ ঘণ্টা আগে জানালো যে তুমি অধিনায়কত্ব করছো না। আমি আসলে জানতে চেয়েছি আপনারা কেন এমন করলেন? আপনাদের অন্যকোনো পরিকল্পনা থাকলে আগে জানাতেন। আমি কি বলেছি আমাকে অধিনায়কত্ব দেয়া হোক। এটা তো একজন খেলোয়াড়ের জন্য অপমানজনক। ম্যানেজার আছে, সিওও (চিফ অপারেটিং অফিসার) আছে তারা মিলে হয়তো কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
‘মালিককে নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। সে অনেক ভালো একজন মানুষ। আর কোচ চলে গেছে, যাওয়ার আগে নাকি আমারে নিয়ে অনেক কথা বলে গেছে। আমি নাকি নিজের জন্য ক্রিকেট খেলি এরকম কিছু একটা। আমি নাকি স্বার্থপর। অথচ আজকে তার সাথে আমার ৩০ মিনিটের মতো কথা হয়েছে। সে তো আমাকে এমনকিছু বলেনি, তাকে আপনারাও জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। ইয়াসির যদি দলে থাকে আমি খেলবো না।’
‘লাস্ট ২ বছর আমি ওপেনিং করেছি, ওয়ান ডাউনে খেলেছি। আমিতো ওপেনিংয়ে ভালোই করেছি। আমার মতামত জানিয়েছি, আমিতো তাকে জোর করেছি এমনকিছু না। জোর করলে তো আপনারা দেখতেনই আমি খেলতাম না। উনারা যেটা করেছে সবাইতো দেখলো। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমার জন্য তো খারাপ। খেলার তিন ঘণ্টা আগে যদি আপনি জানান।’
‘আপনি প্রয়োজনে কোচকে ফোন দেন, কোচের সাথে আমার আজকে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। কোচ আমাকে বলেছে ইয়াসিরের পুরো বিবৃতি মিথ্যা। সবচেয়ে বড় কালপ্রিট তো সে, বড় কালপ্রিট ইয়াসির। মালিকপক্ষকে কেবল ব্যবহার করা হচ্ছে। উনাকে যেভাবে বলা হচ্ছে উনি সেভাবে করছে।’
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। ব্যাপারটা বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্তাদের কানে গেছে গতকাল। বিসিবির পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস দু’পক্ষকেই ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন, ভুল বোঝাবুঝি থাকলে মিটিয়ে নিতে।








