অর্থনৈতিক সংস্কার বিষয়ে গ্রিসের ভাগ্য নির্ধারণী গণভোটের আগে পক্ষ-বিপক্ষের প্রচার চলছে। প্রধানমন্ত্রী না ভোটের পক্ষে প্রচার চালালেও বিরোধীরা রয়েছেন হ্যাঁ ভোটের পক্ষে। ইউরোজোনের নেতারা বলছেন, না ভোট গ্রিসকে গভীর সংকটে ফেলবে।
কাজ নেই, পকেটে অর্থ নেই। ভালো থাকার আশার দেশ ছাড়ছে গ্রিসের তরুণ যুবকরা। এক রকম স্বেচ্ছা নির্বাসন। দেশটির ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ এখনও বেকার।
গ্রিসের নান্দনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত দ্বীপগুলোতে সারাক্ষণ পর্যটকদের ভিড় থাকলেও পর্যটন শিল্পেও ধস নেমেছে। কয়েকদিন ধরে সবগুলো ব্যাংক বন্ধ থাকায় আরো বিপাকে পড়েছে পর্যটন খাত।
ঋণের বোঝায় জর্জরিত গ্রিসের দরকার ২৯ বিলিয়ন ইউরো। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও ইউরোপীয় ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে গ্রিসকে দাতাদের কিছু শর্ত মানতে হবে। এরমধ্যে কমাতে হবে সরকারি ব্যয়, বাড়াতে হবে করের পরিধি। শর্তে রাজি নয় সরকারে থাকা বামপন্থীরা। ফলে দেশটির ইউরোজোনে থাকার বিষয়টিও সংশয়ের মুখে পড়েছে। শর্ত মানা-না মানা নিয়ে রোববার গণভোট হবে সেখানে।






