বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে কাগজে-কলমে তার সম্পর্কে ছেদ পড়েছিল ১৯৯৯ সালে। কিন্তু আত্মিক সম্পর্ক কেউ কী আর আলাদা করতে পারে। পারেননি গর্ডন গ্রিনিজও। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি বিজয়ী দলের কোচ ১৮ বছর পর আসছেন বাংলাদেশে। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় পা রাখবেন। সোমবার সন্ধ্যায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে সাবেক শিষ্য, তৎকালীন বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভাসবেন স্মৃতির ভেলায়।
বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে তুলে দেয়ার কারিগরকে অভ্যর্থনা জানাতে ইতিমধ্যে সবাইকে দাওয়াতপত্র দেয়া হয়েছে। জাতীয় দলের বর্তমান খেলোয়াড়দের সঙ্গেও বসার কথা রয়েছে তার। চ্যানেল আই অনলাইনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।
১৯৯৬ সালে এসিসি ট্রফি বিজয়ের পর গ্রিনিজকে নিয়োগ দেয় বিসিবি। স্বপ্ন ছিল আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্বকাপে জায়গা নেয়া। পরের বছর মালয়েশিয়ায় কেনিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯৯ বিশ্বকাপের টিকিট কাটে বাংলাদেশ। গ্রিনিজকে দেয়া হয় সম্মানসূচক নাগরিকত্ব। কিন্তু শেষটা মধুর হয়নি তার।
নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপের সময়ই গ্রিনিজকে বরখাস্ত করা হয়। অবাক করার বিষয় হলো সেদিন পাকিস্তানকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তার চেয়ে বেশি অবাক করার বিষয়, এমন একটা দিনে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়, যার একদিন পরেই জাতীয় দলের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল!
বিদায়টা মধুর না হলেও বাংলাদেশকে যে হৃদয়ে ধারণ করেন গ্রিনিজ তার প্রমাণ আগেও মিলেছে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ দেখতে আসেন বিসিবির আমন্ত্রণে। ১৮ বছরের ব্যবধানে আবার যখন আসছেন, বাংলাদেশে তখন অনেক এগিয়ে গেছে। যার ভিত গড়া তার হাতেই।







