আতোয়াঁ গ্রিজমানের জোড়া গোলে জার্মানিকে পেছনে ফেলে তৃতীয় বারের মতো
ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে স্বাগতিক ফ্রান্স। এর আগের
দু’বার ফাইনাল খেলে দু’বারই শিরোপা ঘরে তোলে ফরাসিরা। ১০ জুলাই সাঁ-দেনির
ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।
ইউরোপের নিয়ম মেনে দুর্দান্ত গতি, মূহুর্তের মধ্যে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পুরো ৯০ মিনিট দর্শকদের বুদ করে রাখেন গ্রিজমান-ওজিলরা।
এ বিদায়ে জার্মানির ২০ বছরের ইউরো শিরোপা ক্ষরা আরো দীর্ঘায়িত হলো। তবে বল দখলের দিক থেকে জিরু-গ্রিজমানদের থেকে এগিয়ে ছিলো ওজিল-শোয়েনস্টাইগাররা। কখনও দুর্বল ফিনিশিং আবার কখনও হুগো লরিসের গ্লাভস বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জার্মান মেশিনদের সামনে।
তবে ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ তৈরী করে ফ্রান্স। ম্যাচের সাত মিনিটে বলাইসে মাতুইদির কাছ থেকে বল পেয়ে জার্মান বার পোস্টে শট নেন গ্রিজম্যান। তবে এ যাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় নয়্যার দেওয়াল।
১৩ ও ১৪ মিনিটে মুলার এবং ক্যান গোলের সুযোগ হাতছাড়া করলে গোল বঞ্চিত থাকতে হয় জার্মানিকে। এরপর প্রথমার্ধের পুরোটা সময় জার্মানি গোলে ৩টা সহজ সুযোগ তৈরী করলেও কাঙ্খিত গোল আদায় করে নিতে সমর্থ হয়নি। অন্যদিকে ফ্রান্স পোস্টে শট নিলেও গোলের তেমন কোন সুযোগ আদায় করে নিতে ব্যর্থ হয়।
অবশেষে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টিতে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন গ্রিজমান। ডি-বক্সের মধ্যে শোয়াইনস্টাইগারের হাতে বল লাগায় স্পটকিকের বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। তা থেকে নয়্যারকে সহজেই বোকা বানান গ্রিজমান।
গোল শোধে মরিয়া জার্মানি উল্টো ২২ মিনিট বাদে আবারও গোল হজম করে বসে। ৭২তম মিনিটে গ্রিজমানের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলে স্বাগতিকরা।
রাইট ব্যাক জসুয়া কিমিচের ভুলে বলের ডি-বক্সে বলের দখল পান পল পগবা। ডি-বক্সের মধ্যে পগবার তুলে দেয়া বল মাথা ছুঁইয়ে গ্রিজম্যানের পা ছুঁলে তা থেকে সহজেই গোল আদায় করে নেন তিনি। টুর্নামেন্টে এটি গ্রিজমানের ষষ্ঠ গোল। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স।
যোগ করা সময়ে কিমিচের হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে জার্মানকে গোল বঞ্চিত করেন লরিস।








