গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।
রোববার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খাঁন, গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকু, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, জেলা যুবলীগের সভাপতি জিএম সিহাবউদ্দিন আজম, সাধারণ সম্পাদক এমবি সাইফ বি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হামিদসহ সরকার দলের ডজন খানেক শীর্ষ নেতা উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে যান।
তবে আধা ঘণ্টাব্যাপী আলোচনার পরও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের কথা রাখেননি। এ সময় শিক্ষার্থীরা নেতাদের জানান, উপাচার্যের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
গত বুধবার থেকে উপাচার্য অধ্যাপক খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলছিল। ফেসবুকে স্ট্যাটাসের জের ধরে ফাতেমা তুজ জিনিয়া নামে এক ছাত্রীকে বহিষ্কার করার পর সমালোচনার মুখে পড়েন উপাচার্য।
বৃহস্পতিবার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়া হলেও উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন চালিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। যা এখনো চলমান রয়েছে।
এর আগে শনিবার দুপুরে আন্দোলরত শিক্ষার্থীরদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে উপাচার্যের ভাড়া করা সন্ত্রাসী ও গুণ্ডাবাহিনী ওই হামলা করেছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
দুপুরে হামলার ঘটনা ঘটলেও সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা অমান্য করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুপুরের দিকে মেয়েদের হল ত্যাগ করতে বাধ্য করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
শনিবারের হামলার নিন্দায় উপাচার্য
এদিকে শনিবার শিক্ষার্থীদের ওপর ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক খোন্দকার নাসির উদ্দিন। রোববার এক বিবৃতি দিয়ে তিনি ওই ঘটনার নিন্দা জানান।








