একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে কারাগারে থাকা অনেক অভিযুক্ত ব্যক্তিই পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর তাদের বিরুদ্ধে যেতে পারে এমন বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করেছে।
এমন অভিযোগ নিয়ে করেছেন তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক। তাদের মতে, পট পরিবর্তনের সুযোগে প্রশাসনিক, সামরিক, পুলিশ বাহিনীতে চাকুরি নিয়ে ওই অপকর্ম করেছে অভিযুক্তরা।
মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গঠিত তদন্ত সংস্থার সর্বশেষ দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, এই সংস্থার কাছে আসা অভিযোগের সংখ্যা ৬২৭টি। এর মধ্যে তদন্ত চলছে ২৪টির, শেষ হয়েছে ৭টি। বিচারাধীন মামলা ৫টি আর রায় ঘোষণা হয়েছে ২২ মামলার।
বর্তমানে অভিযোগের সংখ্যা ৫৯৪টি। এরই মধ্যে সরকার মামলা কমে যাওয়ায় একটি ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় রেখেছেন। মামলার তদন্ত সময় কেনো বেশি লাগছে তার কারণ খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে আসে অনেক চমকপ্রদ তথ্য।
তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি প্রশাসনে কিংবা মাঠ পর্যায়ে থাকা এই সব অপরাধীদের বিষয়ে তদন্তের ধীর গতির কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি।
চিহ্নিতরা ছাড়াও যারা অপরাধী হয়েও আড়ালে আছেন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থরা অভিযোগ নিয়ে আসলে অবশ্যই তা গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা। সমন্বয়ক মনে করেন প্রত্যেকেরই ন্যায় বিচার পাবার অধিকার আছে।







