অ্যান্টিগা, জ্যামাইকার ভীতি নেই গায়ানায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এ ভেন্যু বাংলাদেশের জন্য পয়মন্ত! ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয়টি এসেছিল এখানেই। ক্যারিবীয়দের সামনে টেস্ট সিরিজে অসহায় আত্মসমর্পণের পর গায়ানায় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে জয়ের চেয়ে কম গুরুত্ব বহন করছে না।
শেষ জয়টি পাল্টে দিয়েছে বাংলাদেশ দলকেই। বদলেছে সাকিব-তামিমদের শারীরিক ভাষাও। ‘আমরা পারি’ -বিশ্বাসটা যোগানোর কাজটি আরেকবার করেছেন মাশরাফী।
ওয়ানডে অধিনায়ক যোগ দিতেই বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছে চেনাছন্দ। যে ছন্দে সুর ওঠা মানেই সিরিজ জয়। দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি দিবা-রাত্রির। গায়ানাতেই। সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামার অপেক্ষায় সফরকারীরা।
বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় শুরু হবে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টাইগারদের লড়াই।

প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে সিরিজ শুরুর ম্যাচে ৪৮ রানের জয়টি এসেছিল দলের সিনিয়র ক্রিকেটার সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাশরাফীদের অবদানে।
তরুণরা তা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আরেকটু অবদান রাখতে পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয়ের সুযোগ চলে আসতে পারে বাংলাদেশের সামনে।
ব্যাকফুটে থেকে সিরিজ শুরু করা বাংলাদেশ দল আগের ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিংয়ে যেভাবে জ্বলে উঠেছে, তা সামনের ম্যাচে আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি হিসেবেই কাজ করবে।

সাকিব-তামিমের রেকর্ড জুটির (২০৭) পর মুশফিকের অগ্নিরূপ। বল হাতে মাশরাফী-মোস্তাফিজের উইকেট শিকারের লড়াই। রুবেলের ব্রেক-থ্রু। মিরাজ-মোসাদ্দেক-সাকিবদের ঘূর্ণিতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের লাগাম টেনে ধরার প্রচেষ্টা। প্রথম ম্যাচে ঘটা এসবকিছু আরেকবার মঞ্চস্থ হলেই স্বস্তির বাতাস বইবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
সিরিজের শেষ ম্যাচ ২৮ জুলাই, সেন্ট কিটসে। সিরিজ নিশ্চিত করে যদি গায়ানা ছাড়া যায় তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে বাংলাদেশ দলের জন্য!







