সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ স্প্যানিশ দলগুলো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বশেষ দুটি আসরেই জার্মান জায়ান্টদের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছে স্প্যানিশরা।
২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারেই বায়ার্নের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে দেয় রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৫ সালের সর্বশেষ আসরেও একই ব্যাপার। বায়ার্নকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে বার্সেলোনা।
এমনই অবস্থায় আজ টানা তৃতীয়বারের মতো ইউরো শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে সেমিফাইনালে জার্মান জায়ান্টদের প্রতিপক্ষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। প্রথম লেগে ০-১ গোলে পিছিয়ে থাকায় ফাইনালে ওঠার জন্য আজ ঘরের মাঠে দুই গোলে জয়ের বাধ্যবাধকতার সামনে বায়ার্ন।
ঘরের মাঠ ‘অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায়’ ফাইনালে ওঠার মিশনে স্প্যানিশ দলের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক হার এড়ানোর চ্যালেঞ্জও থাকছে বায়ার্নের। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জটা স্প্যানিশ কোচ পেপ গার্দিওলারও। তার পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনায় মুখর জার্মান মিডিয়া।
গত তিন বছরে গার্দিওলার অধীনে বায়ার্ন ছয়টি শিরোপা জিতলেও দেখা মেলেনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। মৌসুমের শেষ সময়ে বায়ার্নেরও পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়। এ আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগীজ দল বেনফিকাকে হারাতে যথেষ্টই ঘাম ঝরাতে হয়েছে তাদের। দুই লেগ মিলিয়ে বেনফিকাকে তারা হারিয়েছে ৩-২ গোলে।
গত শনিবার বুন্দেসলিগায় মুনশেনগ্লাডবাখের বিপক্ষে বায়ার্ন ড্র করেছে ১-১ গোলে। বার্সার তিকিতাকার প্রভাবে বায়ার্নের গোলক্ষুধা কমে গেছে এমন অভিযোগও উঠেছে গার্দিওলার বিপক্ষে।
এটাই বায়ার্নের হয়ে গার্দিওলার শেষ মৌসুম। আগামী মৌসুমে তিনি যোগ দেবেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল ম্যানচেস্টার সিটিতে। এটাকে এই স্প্যানিশের ‘লাস্ট বুলেট’ হিসেবে মনে করছে সবাই।
স্প্যানিশ দুর্ভাগ্যের চাকা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বায়ার্নের জন্য প্রেরণা হতে পারে তাদের ঘরের মাঠের রেকর্ড। ঘরের মাঠে ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে রিয়ালের কাছে ০-১ গোলে হারার পর ঘরের মাঠে টানা ১১টি ম্যাচ জিতেছে জার্মান জায়ান্টরা।
ড্র করলেই ফাইনাল এমন বাস্তবতার সামনে সুসংবাদ নিয়েই মিউনিখ যাচ্ছে অ্যাটলেটিকো। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির থেকে দুসপ্তাহ পর অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন ডিফেন্ডার দিয়েগো গোডিন। অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন দলটির উইঙ্গার ইয়ান্নিক ক্রাসকোও।







