থিয়েট্রিক্যাল ফোক ব্যান্ড গানকবিতে যুক্ত হলেন জনপ্রিয় পার্কাশনিস্ট পিয়াস। ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলা লোক গানকে ধারণ করে আত্নপ্রকাশ করে ব্যান্ড ‘গানকবি’। অল্প দিনেই তরুণ প্রজন্মের কাছে বাংলা লোক গানকে নতুন করে পৌঁছে দেয়ার কাজে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে ব্যান্ডটি।
বাংলা লোক গানের প্রচলিত-অপ্রচলিত অসংখ্য ধারাকে নিয়ে থিয়েট্রিকাল আঙ্গিকে গান পরিবেশন করে থাকেন তাঁরা। প্রতিষ্ঠার দেড় বছর পর পিয়াসের সংযুক্তি নিয়ে গানকবির শিল্পী সাহস মোস্তাফিজ বলেন, ‘পিয়াস ভাই আমাদের সাথে প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই নানাভাবে যুক্ত ছিলেন। কয়েকটি অনুষ্ঠানে তিনি অতিথি বাদক হিসেবেও পার্কাশন বাজিয়েছেন। বাংলাদেশের পার্কাশন শিল্পীদের মধ্যে পিয়াস ভাই একটি ব্যস্ত মুখ। অন্যদিকে লোক গানে পার্কাশনের ভূমিকা অনেক। অনেকদিন থেকেই আমরা চাইছিলাম তিনি আমাদের সাথে যুক্ত হন। তবে ঠিক ব্যাটে বলে মিলছিলো না। অবশেষে তাঁকে পেয়ে গানকবি নতুন করে এগিয়ে যাবার জ্বালানী পেলো’।

গানকবিতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে পার্কাশনিস্ট পিয়াস চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আমার বাড়ি যশোর। কুষ্টিয়ার কাছেই। ছোট বেলা থেকেই লালনসহ লোক সংগীতে ভালোবাসা ও আসক্তি ছিল। দেশের লোক সংগীতকে এগিয়ে নেয়ার স্বপ্ন দেখে আসছি শৈশব থেকে। গানকবিও বাংলা গানের সেই ভাবধারা বজায় রেখে লোক সংগীতকে এগিয়ে নিচ্ছে। গানকবির ও আমার অভিন্ন স্বপ্নই আমাদের এক কাতারে মিলিয়ে দিয়েছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘গানকবি ব্যান্ডের প্রতিটা সদস্য অসম্ভব রকম ভালো মানুষ। ফলে গানকবিতে যোগ দিতে আমাকে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি।’
পার্কাশনিস্ট পিয়াস কাহন, খমক, ডারবুকা, মন্দিরা, খোল, ঢোল, নাল, ধুপচিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক যন্ত্র বাজাতে পারদর্শী। ইন্সট্রুমেন্ট বানানো তাঁর নেশা। প্রাকৃতিক নানা উপকরণ দিয়ে তিনি অনেকগুলো সংগীত যন্ত্র তৈরি করেছেন। দেশে সহস্রাধিক স্টেজে পারফর্ম করার পাশাপাশি জর্ডানে ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল ফেস্টিভালে নিজ দেশের পতাকা তুলে ধরেছেন তিনি।

গানকবির ব্যান্ড ম্যানেজার অভি ছাড়াও এই ব্যান্ডে আগে থেকেই যুক্ত আছেন আকাশ গায়েন, সুদীপ্ত শাহীন, সাহস মোস্তাফিজ, তারেক আহসান এবং আবির দাস। নতুন আঙ্গিকে, নতুন পরিবেশনা নিয়ে খুব শীঘ্রই গানকবিকে মঞ্চে ও টেলিভিশনে দেখা যাবে বলে জানান গানকবির সদস্যরা।








