জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বদ্যিালয়ে নতুন ছয়টি আবাসিক হল নির্মাণের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত-প্রচারিত সংবাদকে ‘মিথ্যা ও কল্পিত অভিযোগ’ অ্যাখ্যা দিয়ে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এ ধরণের অভিযোগ নির্মাণ কাজ বিলম্বিত অথবা বন্ধ করার অপকৌশল।
এসব অভিযোগের কর্ণপাত না করে শিক্ষা-গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বদ্যিালয়ের অধিকতর উন্নয়নের আওতায় ছাত্র-ছাত্রীদের ৬ টি আবাসিক হল নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারো কারো উত্থাপিত এবং বিভিন্ন গণ-মাধ্যমে প্রকাশিত-প্রচারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস এবং আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত মিথ্যা-কল্পিত অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।
‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে, এ ধরণের অভিযোগ উত্থাপন করে নির্মাণ কাজে বিলম্বিত বা বন্ধ করার অপকৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ মিথ্যা-কল্পিত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘মনে রাখা প্রয়োজন যে, আগে শিক্ষা-গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধান করতে হবে। আবাসন সমস্যার কারণে সৃষ্ট ‘গণ রুম’ সমস্যা দূর করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার দাবিকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অপ্রয়োজনে একটি গাছের ডালও কাটা হবে না।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অধিকতর উন্নয়নের আওতায় ৬টি হল নির্মাণের বিষয়টি একনেক কর্তৃক অনুমোদিত। একনেক এ অনুমোদিত ও চূড়ান্তকৃত প্রকল্পের বিরোধিতা করা অথবা এতদসম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো মোটেই সমীচিন নয়। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকল মহলের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং যৌক্তিক আচরণ করবেন। সবাই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবাসন সংকট সমাধানে সহায়তা করবেন বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছেন।’







