প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে গভীর রাত পর্যন্ত বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। এদিকে ঘরে ফেরা মানুষের সঙ্গে রাজধানীর পশুর হাটের কেনা বেচা শুরু হয়েছে পুরো দমে। ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস ছিলো বুধবার। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে অফিস শেষে রাতের গাড়ি ধরেছেন অধিকাংশ মানুষ।
ঘরে ফেরা মানুষরা বলছেন, ঈদের ছুটির সুযোগেই পরিবারের সঙ্গে দেখা করা যায়। রাস্তাঘাটে যতটুকু কষ্ট হয় তা মেনে নিয়ে আসলে ঈদ করতে যাওয়া।
বৈরী আবহাওয়ায় অনেক ভোগান্তি সহ্য করেই বাড়ির পথে হাজারো মানুষের পথযাত্রা। ভুলে ঈদের আনন্দই রাতের বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় জল-কাদার ভোগান্তি ভুলিয়ে দিয়েছে ঘরমুখো মানুষদের।
তারা বলছেন, বাড়ি যারা থাকেন তাদের কাছে যাওয়ার তাড়া থাকায় ভোগান্তি সহ্য করেই যাচ্ছি। রাস্তায় যতই কষ্ট হোক না কেন পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিলে সব কষ্ট ভুলে যাবো।
রাজধানী ঢাকা ফাঁকা হলেও জমে উঠেছে রাজধানীর সমস্ত পশুর হাট। তাই কোরবানির পশুর হাটে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
দিন থেকে শুরু করে রাতভর পছন্দের পশু কিনে বাড়ি ফিরেছেন ক্রেতারা। তবে পশুর দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতা দুই পক্ষেরই পাল্টা-পাল্টি বক্তব্য থাকলেও কেনাবেচায় দুপক্ষই সন্তুষ্ট।
গরু কিনে বাড়ি ফেরা ক্রেতারা বলছেন, দাম যাই হোক কোরবানি দিতে হবে তাই পশুর হাটের সেরা গরু কিনে বাড়ি ফিরছি।
তবে ছোট ও মাঝারি দেশী গরুই বেশি বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গরু বিক্রেতারা। রাজধানীর বেশির ভাগ পশু হাটে দেশী গরুই বেশি ছিলো।







