শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে গণহত্যা জাদুঘর এবং গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র সব ধরনের সহযোগিতা পাবে।
রবিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিং (পিজিটি) কোর্সের নবম ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠিনে ভিডিও কনফারেন্স এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, গণহত্যার জাদুঘরের অজস্র কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো, দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা। গণহত্যা জাদুঘর কেবল গণহত্যার নিদর্শন ও ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ করে রাখে নি।তারা গবেষণা করার পাশাপাশি গবেষনার ফসল তুলে আনার প্রক্রিয়াও গ্রহণ করেছে। গবেষক তৈরির এই উদ্যোগ সামাজিক ইতিহাসে আমূল পরিবর্তন আনবে। ইতিহাস চর্চার বিকেন্দ্রীকরণকে আরও সম্প্রসারিত করবে।শিক্ষকদের এই গবেষণায় আরও মনোযোগী হতে হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের এবং দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের সভাপতি আধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে মুনতাসীর মামুন বলেন, গণহত্যা জাদুঘর পরিচালিত গণহত্যার জেলা জরিপ ইতোমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের পুরো ইতিহাসের বয়ানকেই পাল্টে দিচ্ছে। এই ধরনের প্রশিক্ষণ কোর্স একেবারে প্রান্তিক পর্যায় থেকে গবেষকদের তুলে নিয়ে আসছে। তাদেরকে পদ্ধতিগতভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।তারা এখন ছড়িয়ে পড়বেন গ্রামে গ্রামে। সবাই থিসিস জমা দিচ্ছেন নতুন নতুন গণহত্যার ওপর। এভাবে গণহত্যার এমন সব ঘটনা উঠে আসছে যার সম্পর্কে আমরা কিছুই জানতাম না।
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো.কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবোর্ডে সচিব মো.জহির উদ্দিন। ট্রাস্টি সম্পাদক ড. চৌধুরী শহীদ কাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালক অধ্যক্ষ মোজাম্মেল বিশ্বাস।








