সেরা সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা ও রাজশাহী শহরের কিছু এলাকায় ফোর-জি সেবা চালু করেছে গ্রামীণফোন।
বর্তমানে খুলনার শিববাড়ী মোড় এবং সোনাডাঙ্গা এলাকায় ফোর-জি সেবা চালু হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে খুলনার আরো এলাকা ফোর-জি কাভারেজের আওতায় আসবে। রাজশাহীর নিউমার্কেট এবং আলুপট্টি এলাকায় ফোর-জি সেবা চালু হয়েছে।
খুলনায় গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার রাদে কোভাসেভিচ আনুষ্ঠানিকভাবে ফোর-জি চালুর ঘোষণা দেন। গ্রামীণফোনের হেড অফ প্রোডাক্ট সৌরভ প্রকাশ এবং খুলনা বিজনেস সার্কেল প্রধান নাফিজ ইমতিয়াজ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহীতে গ্রামীণফোনের হেড অফ ট্র্যান্সফরমেশন কাজী মাহবুব হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে ফোর-জি চালুর ঘোষণা দেন। 
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা এবং খুলনার কিছু এলাকাতেও ফোর-জি চালু আছে। বেশিরভাগ বিভাগীয় শহরে অচিরেই ফোর-জি চালু হবে। প্রতিষ্ঠানটি থ্রি-জির ক্ষেত্রে যেমন করেছিল এবারো একই রকম দ্রুতগতিতে ফোর-জি বিস্তার করা হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সব জেলা শহরে ফোর-জি পৌছে যাবে।
গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ১৮০০ ব্যান্ড ৫ মেগাহার্জ বেতার তরঙ্গ কেনার ফলে ফোর-জি বা এলটিই বিস্তারের জন্য কাঙ্ক্ষিত ব্যান্ডে সর্বাধিক স্পেকট্রাম হাতে পেয়েছে । এই নতুন স্পেকট্রাম এবং বিদ্যমান স্পেকট্রামে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা গ্রামীণফোনকে সেরা ফোর-জি সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে একটি শক্ত অবস্থানে পৌছে দিয়েছে। প্রযুক্তি নিরপেক্ষতার ফলে গ্রামীণফোন তার ৯০০, ১৮০০ এবং ২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের স্পেকট্রামে আরো দক্ষতার সাথে ভয়েস ও ডাটা সেবা দিতে পারবে।
ফোর-জি বিস্তারের সাথে সাথে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নের ফলে গ্রাহকরা এইচডি (হাই ডেফিনিশন) ভিডিও, লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, ঝকঝকে ভিডিও কল আর দ্রুতগতির ডাউনলোড উপভোগ করতে পারবেন।
গ্রাহকরা *১২১*৩২৩২# ডায়াল করে জানতে পারবেন যে তাদের সিম ফোর-জি উপযোগী কি না। যদি না হয় তাহলে নিকটস্থ সিম পরিবর্তন কেন্দ্র বা গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়ে সিম পরিবর্তন করা যাবে। এছাড়াও তাদের একটি ফোর-জি উপযোগী হ্যান্ডসেটও প্রয়োজন হবে।







