অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে খুলনা টাইটান্সকে ৯ রানে পরাজিত করেছে রাজশাহী কিংস। ব্যাটিংয়ে ৩৪ বলে ৭১ রানের পাশাপাশি বল হাতে ১ উইকেট নেওয়া ছাড়াও দুরন্ত ফিল্ডিংও করেছেন ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার স্যামি।
এ জয়ে ৮ ম্যাচ থেকে ৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করল রাজশাহী কিংস।
১৫৫ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেটে ১৪৫ রান করে খুলনা টাইটান্স। দলের পক্ষে রিকি ওয়েসেলস সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে স্যামি, সামি, আবুল হাসান, মিরাজ, নাজমুল প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে ২৬ রানের দরকার ছিল খুলনার। ক্রিজে কেভিন কুপার ও আরিফুল হক। মোহাম্মদ সামির করা ১৯তম ওভারের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে উমর আকমলের হাতে ধরা পড়েন। সামির করা ওভার থেকে মাত্র ৭ রান সংগ্রহ করে খুলনার ব্যাটসম্যানরা । শেষ ওভারে ১৯ রান দরকার পড়লেও ফরহাদ রেজার ওভারে মাত্র ১৫৫ রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৫ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার হাসানুজ্জামান ও টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান শুভাগত হোম।
তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও রিকি ওয়েসেলস ৪৭ রান যোগ করেন।
দলীয় ৬২ রানে ওয়েসেলসকে (৩৬) রানে বোল্ড করে আনন্দে ভাসেন অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি।
কিন্তু খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট চালিয়ে যায়। চতুর্থ উইকেট জুটিতে রিয়াদ ও পুরান ৩৯ রানের জুটি গড়েন।
তবে দলীয় ১০১ ও ১০৭ রানে পুরান ও মাহমুদউল্লাহকে সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ ও আবুল হাসান রাজু।
পুরান ও মাহমুদউল্লাহর আউটের পর্ ম্যাচ নিয়ন্ত্রনে নেয় রাজশাহী।
এরআগে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টস জিতে ব্যাট করে ড্যারেন স্যামির অনবদ্য ৭১ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৪ রান করে রাজশাহী। স্যামি মাত্র ৩৪ বলে চারটি চার ও পাঁচটি ছয়ে ৭১ রান করেন। স্যামি বিশাল বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে গ্যালারির দর্শকদের আনন্দে মাতান।









