খুব কঠিন সময়ে টেস্ট দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মুমিনুল হক। সাকিব আল হাসান নিষিদ্ধ হওয়ায় অধিনায়কত্ব পান। মুমিনুলের প্রথম পরীক্ষা ছিল ভারতের মাটিতে। পরে পাকিস্তানে। শুরুর তিন টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হার লেখা হয় টাইগারদের পাশে।
তিন টেস্ট পর হয়েছে ভাগ্যের পরিবর্তন। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে পেয়ে। ইনিংস ও ১০৬ রানে ক্রেইগ আরভিনের দলকে হারিয়ে তলানিতে নেমে যাওয়া আত্মবিশ্বাস এখন ঊর্ধ্বগামী।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫ মাস আগেই সিরিজের প্রথম টেস্ট হেরেছিল বাংলাদেশ। পেছনে তাকালে শুধু চাপ ভর করার কথা মুমিনুলের। অধিনায়ক জানালেন, সেরকম কিছু অনুভব করেননি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টটি খেলতে নেমে।
‘চাপে ছিলাম না। মানুষের যতটুকু চাপ নেয়া দরকার ততটুকুই ছিল। সবারই যার যার কাজে যতটুকু চাপ থাকে সেটুকুই ছিল। ৫-১০ ভাগ চাপ ছিল হয়ত।’
নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের নেতৃত্বে ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে শুরু বাংলাদেশের পথচলা। ২০ বছরে আরও দশ অধিনায়ক দায়িত্ব পালন করেছেন ১২০ টেস্টে। যার মধ্যে ইনিংস ব্যবধানে হার ৪৪টি। দেশের ১১তম টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল চার ম্যাচ নেতৃত্ব দিয়ে পেয়ে গেলেন ইনিংস ব্যবধানে জয়ের স্বাদ।
ইনিংস ব্যবধানে বাংলাদেশের এটি সবে দ্বিতীয় জয়, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামেই ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৮৪ রানে হারিয়েছিল টিম টাইগার্স।







