নির্বাচন কমিশন গঠনসহ খালেদা জিয়ার ১৩ দফা প্রস্তাব অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, এ ধরণের অস্বাভাবিক প্রস্তাব নিয়ে কখনো আলোচনা করবে না সরকার। বেগম জিয়া সাংবিধানিক শূণ্যতা সৃষ্টি করে অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনার পায়তারা করছেন বলেও অভিযোগ তার।
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন এবং এর কাঠামো সম্পর্কে গত ১৮ নভেম্বর ১৩ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। এই প্রস্তাবনার বাইরেও জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে যুক্ত করা এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদানের কথাও বলেন তিনি। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার এ ধরণের প্রস্তাব ভিত্তিহীন বলেও মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সব রাজনৈতিক দলের যে সংজ্ঞা দিযেছেন তাতে জামায়াত, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দল ফ্রিডম পার্টি ও মুসলীম লীগ আছে। আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই যে, বেগম জিয়া সকল রাজনৈতিক দল শব্দটির আড়ালে জামায়াত, মুসলীম লীগসহ স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনির দল ফ্রিডম পার্টিকে হালাল করার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বেগম জিয়ার মূল উদ্দেশ্য আগামী নির্বাচনকে কিভাবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া সেটা। তার প্রস্তাব বাংলাদেশে চক্রান্তের রাজনীতি নতুন করে শুরু করার প্রস্তাব। বাংলাদেশে রাজনৈতিক শূণ্যতা তৈরির প্রস্তাব। এই প্রস্তাব বাংলাদেশকে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বাইরে ঠেলে দেওয়ার প্রস্তাব। সুতরাং এই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব দিলে অবশ্যই আলোচনা হবে। তবে সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।








