খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিট্যাবল ট্রাস্টের পাঁচ কোটি টাকা দুর্নীতি মামলার শুনানির জন্য আগামী ৩ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত। বাদীর স্বাক্ষীর জেরা আংশিক শেষ হয়েছে।
খালেদা জিয়া মামলার হাজিরা দিতে সকাল ৯ টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন। দশটা দশে আদালত প্রাঙ্গনে পৌঁছেন। সাড়ে দশটায় আদালতে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা দিতে আসায় চার পাশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি সামলাতে আদালতের সামনের মাঠে ও আশে পাশের সড়কে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব মোতায়ন করা হয়েছে। এই মামলায় এ পর্যন্ত ১১ বার হাজিরা দিয়েছেন খালেদা জিয়া।
মামলার বৃত্তান্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা ২০১১ সালের ৮ অগাস্ট করেন দুর্নীতি দমন কমিশন। আসামিদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানার করা এ মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ আনা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আর জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অন্য মামলাটি দায়ের করে। একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা এতিমদের সহায়তার জন্য ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় এ মামলায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ ২০১০ সালের ৫ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন। তবে বিএনপির দাবি এই মামলা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক।







