ফরিদপুরের দুর্গম চরাঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে গরু, ছাগল, ভেড়া পালন করে। ক্ষুদ্র খামারীদের জন্য প্রকল্পভিত্তিকভাবে উৎপাদন ও বাজার সুবিধা সৃষ্টি করায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে চরাঞ্চলের।
এই জেলার তিন উপজেলার আটটি ইউনিয়নের বেশীরভাগ গ্রামই পদ্মা নদীর চরে। যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে অনগ্রসরতার কারণে পিছিয়ে রয়েছেন এসব চরের অধিবাসীরা। তবে আশার কথা হলো, প্রায় প্রতিটি পরিবারই দুই থেকে তিনটি গরু পালনের সুযোগ পাওয়ায় পাল্টে যাচ্ছে জীবন।
ফরিদপুরের দুগ্ধ খামারি বলেন, আমি গাভী পালন করি এ গাভীর দুধ বিক্রি করে সংসার চালাই সাথে আমার মেয়েকে লেখাপড়া শেখাই।
ফরিদপুর শহরে প্রতি কেজি দুধের দাম ৬০ টাকা। তবে চরাঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে অর্ধেক দামে। ফরিদপুরের আর এক দুগ্ধ খামারি বলেন, আমাদের এখানে দুধের দাম আর একটু বেশি হলে ভালো হতো।
চরবাসীর কথা চিন্তা করেই সেখানে মিল্কভিটার একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানাচ্ছে জেলা প্রশাসন।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক সরদার সরাফত আলী বলেন, এখানে মিল্ক ভিটার একটি চিলিং প্রজেক্ট হবার সম্ভবনা রয়েছে। এ জন্য এলাকাও পরিদর্শন করেছেন মিল্কভিটার কর্মকর্তারা। আশা করা যাচ্ছে, অচিরেই এখানে মিল্ক ভিটার একটি চিলিং প্লান্ট হবে।
চরাঞ্চলে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য শীতলীকরণ কেন্দ্রের প্রয়োজন মনে করেন খামারিরা।







