গত মার্চ মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি .০৩ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী: খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও অখাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি খানিকটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৯৩ শতাংশ হয়েছে, যা এর আগের মাসে ছিল ৯.২৪ শতাংশ।
অন্যদিকে, মার্চে খাদ্য বহিভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.৩৮ শতাংশ।
পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে স্থির মূল্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে প্রবৃদ্ধি ১.৯৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.৪৮ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে যা ছিল ৪.৪৭ শতাংশ। এ সময়ে কৃষি এবং সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন: পবিত্র রমজান মাসে চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরবরাহ ঘাটতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চাপ তৈরি হয়, যা মূল্যস্ফীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রব্যমূল্যের ওঠানামা এবং ডলার সংকটজনিত কারণে আমদানি ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিবিএস সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতির এই সামান্য ঊর্ধ্বগতি সরকারের জন্য উদ্বেগের হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং, সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে পৌঁছেছিল, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ ছিল।










