কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও অবকাঠামোর পরই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, কয়লাই হবে আগামীর বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান জ্বালানী। ২০২১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য খাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ১শ মেগাওয়াট। এলএনজি আমদানী করে ২০১৮ সাল নাগাদ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে।
বিগত কয়েকবছর ধরে অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা বিদ্যুৎখাতে যেসব স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেয়া হয়েছে তা শেষ করতে প্রতিবছরই প্রয়োজন হয় বাড়তি অর্থের। সেইসঙ্গে আগামী অর্থবছরে যোগ হচ্ছে বেশ কয়েকটি নতুন প্রকল্প।
৫৩ শতাংশ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনসহ সবমিলে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে এবারের বাজেটেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে । এবার শুধু বিদ্যুৎখাতের বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ১২ হাজার ৫শ’ ৬৪ কোটি টাকা এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাতে ১ হাজার ৯শ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী এইজন্য বিদ্যুৎ খাতের সাফল্য ও রোডম্যাপ তুলে ধরেন। নতুন নতুন কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া ছাড়াও পুরনো বেশ কিছু প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
একক প্রকল্প হিসেবে মাতারবারি-টু ৬’শ মেগাওয়াট বিদ্যুত প্রকল্পে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪শ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল প্লান্ট উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ ৭শ ৪৫ কোটি টাকা, চট্রগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, রংপুরসহ কয়েকটি জেলায় পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মোট ১০টি প্রকল্পে ৩ হাজার ৮শ ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এবারই প্রথমবারের মত মেগা প্রকল্প হিসেবে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য আলাদা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।
পরিবেশের কথা ভেবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সৌর বিদ্যুতের আলো ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুকি মোকাবেলায় ভূমিকা রাখার দিকনির্দেশনা এসেছে বাজেটে ।








